
তপন কুমার দাস (পাথরপ্রতিমা),বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা ব্লকের দক্ষিণ রায়পুর গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে ওঠা ১৭ দফা দুর্নীতির অভিযোগ, আবাসন যোজনা-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ এবং সেই অর্থ ফেরতের দাবিতে বিক্ষোভে সামিল হন স্থানীয় বাসিন্দারা। দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পরও পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠলো। অভিযোগ, অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধিদের ঘিরে স্থানীয়দের বিক্ষোভ পরে জুতোপেটা ও গণধোলাইয়ের ঘটনা ঘটলো। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
গ্রামবাসীদের অভিযোগ পঞ্চায়েতের প্রধান, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি এবং অন্যান্য সদস্য উপস্থিত থাকলেও অভিযুক্ত অনন্ত হালদার সেখানে উপস্থিত ছিলেন না পঞ্চায়েতে এতে বিক্ষোভকারীদের একাংশ ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। অভিযোগ, পঞ্চায়েত কার্যালয় থেকে কিছুটা দূরে একটি দোকানে বসে ছিলেন তৃণমূল নেতা অনন্ত হালদার। সেখান থেকে ধরে এনে জুতো দিয়ে মারতে মারতে পঞ্চায়েত কার্যালয়ে নিয়ে আসে উত্তেজিত গ্রামবাসীরা।
পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আলোচনার শেষে। অভিযোগ, তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তথা সদস্য সুশান্ত দাস ওরফে কিরণ, পঞ্চায়েত সদস অলোক জাতুয়া, উপপ্রধান-সহ অন্যান্য অভিযুক্তদের অঞ্চল কার্যালয় থেকে বের করে আনার সময় বিক্ষুব্ধ জনতার একাংশ তাঁদের উপর চড়াও হয়। গণধোলাইয়ের ঘটনায় সুশান্ত দাস ওরফে কিরণ আহত হন বলে অভিযোগ।
ঘটনার খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।উত্তেজিত বিক্ষোভকারীদের হাত থেকে অভিযুক্তদের উদ্ধার করতে গিয়ে পুলিশকে দীর্ঘক্ষণ হিমশিম খেতে হয়। প্রবল ঠেলাঠেলি ও উত্তেজনার মধ্যেও পুলিশ অভিযুক্তদের নিরাপদে উদ্ধার করে গাড়িতে তুলে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় ব্যাপক রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।






