
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- নবান্নে যাওয়ার আগে আচমকা স্বাস্থ্য ভবনে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে আধিকারিক স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায় । তিনি এদিন স্বাস্থ্য ভবনের কন্ট্রোল রুম পরিদর্শন করেন। এই কন্ট্রোল রুম থেকেই সরাসরি রাজ্যের হাসপাতাল গুলিতে নজরদারি চালানো হবে। লাইভ মনিটরিং এর ফলে হাসপাতালে দালাল চক্র রোখা সম্ভব হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় ১১টা ১৫মিনিট নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্য ভবনে পৌঁছে স্বাস্থ্য দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ,স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা সহ একাধিক আধিকারিক। বহুক্ষণ চলে বৈঠক ।
এদিন বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ‘সরকারি হাসপাতালে দালালরাজ থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করতে হবে।
সেই সঙ্গে তিনি এদিন বলেন, ”সাধারণ মানুষ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসেন। তাদের কোনোভাবে দালাল চক্রের স্বীকার হতে দেওয়া যাবে না। হাসপাতালের প্রতিটি পরিসেবা স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, ’আমরা সরকারি হাসপাতালের নাম দিয়েছি ’আয়ুষ্মান মন্দির’ তাই মন্দিরের মতো তার পবিত্রতা বজায় রাখতে হবে। মানুষের আস্থা ফিরিয়ে আনাই এখন সবচেয়ে বড় লক্ষ’। তিনি জানান, হাসপাতালে পরিষেবা আরো উন্নত করতে স্বাস্থ্য ভবন থেকে মনিটারিং করা হবে। প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে পরিষেবা উপর নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে। আগামী ৩০ শে জুলাই এরমধ্যে মহকুমা হাসপাতাল গুলিতেও নজরদারির ব্যবস্থা চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে’। সেই সাথে তিনি বলেন, ’স্বাস্থ্য কর্মীদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা দেওয়া হবে পাশাপাশি এসএসকেএম হাসপাতালে মত ট্রমা সেন্টারের বেড সংখ্যা বাড়ানো ,বার্ন ইউনিটকে আরো আধুনিক করা এবং স্বাস্থ্য ভবনে অত্যাধুনিক কন্ট্রোল রুম গড়ে তোলার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।






