
তোতন দাশ, বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক: – পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে প্রতিবছর ৬ই জুলাই ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মবার্ষিকী অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে উদযাপিত হয়। তবে এবার পশ্চিমবঙ্গে পালাবদলের পর গেরুয়া বঙ্গে এই দিনটিকে তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে নানান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কোলকাতার পাশাপাশি দক্ষিণ২৪পরগণায় ডায়মণ্ডহারবার,ফলতা এবং রায়দীঘি এছাড়াও দক্ষিণ২৪পরগণা জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যের ১২৫তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকুরিয়ার মধুসূদন মঞ্চে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আযোজন করা হয়।
এদিন দক্ষিণ২৪পরগণার ডায়মণ্ডহারবার মহকুমা প্রশাসন ভবনে কনফারেন্স হলে তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগের উদ্যোগে এবং ডায়মন্ডহারবার মহকুমা প্রশাসনের সহযোগিতায় যথোচিত মর্যাদায় পালন করা হয়, ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী । তাঁকে স্মরণ করে স্মারক বক্তৃতা, নাচ, গান,পুতুলনাচ ইত্যাদির মাধ্যমে দিনটি পালন করা হয়। এছাড়াও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবন ও উত্তরাধিকার বিষয়ক মনোজ্ঞ একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।
এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডায়মণ্ডহারবারে মহকুমা শাসক অয়ন দত্তগুপ্ত , এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক পান্নালাল হালদার , ডায়মন্ড হারবার মহকুমার অনেক সংস্কৃতিপ্রেমী ও গুণীজনেরাও।

অন্যদিকে ৬ জুলাই ড.শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ডায়মণ্ডহাবার মহকুমার ফলতা অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মহাসমারোহে পালিত হল ভারত কেশরী ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের শুভ জন্মবার্ষিকী ।এদিন সকাল সকাল স্নান পর্ব শেষ করে স্কুলে হাজির হওয়া ক্ষুদে পড়ুয়াও অভিভাবক অভিভাবিকা থেকে শিক্ষক শিক্ষিকাদের মধ্যে ছিল বিশেষ উৎসাহ ও উদ্দীপনা। জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিদ্যালয়টিকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে তোলা হয় বিভিন্ন রঙের ফুল এবং বেলুন দিয়ে । ড শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্যদানের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দেশাত্মবোধক নাচ ,গান, আবৃত্তি আলোচনা করা হয় ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী এবং বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে। এছাড়ও ড:শ্যমাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী নিয়ে বিশেষ কুইজ এর মাধ্যমে দিনটিকে যথাযোগ্য মর্যাদার সঙ্গে পালন করা হয়। অনুষ্ঠান শেষে উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবক অভিভাবিকাদেরকে জন্য টিফিনের ব্যবস্থা করে ছিল বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।






