
ছবি-
রমেশরায়, বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- ২০২৬-এর গঙ্গাসাগর মেলা কি অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দেবে? জেলা প্রশাসনের অনুমান অন্তত তেমনটাই। আগামী ৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হতে চলা এই মেলায় এবার উপচে পড়া ভিড় ইতিমধ্যে সামলাতে কোমর বেঁধে ময়দানে নেমেছে পড়েছে রাজ্য সরকার। সম্প্রতি সাগরমেলা প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে কচুবেড়িয়া থেকে কপিলমুনির আশ্রম পর্যন্ত ম্যারাথন সফর করেছেন রাজ্যের সেচমন্ত্রী মানস রঞ্জন ভূঁইয়া। আর আজ (শুক্রবার) আসন্ন গঙ্গাসাগর মেলাকে সামনে রেখে অগ্নিনির্বাপণ খতিয়ে দেখতে গঙ্গাসাগরে এলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু । মেলার প্রস্তুতি পর্যালোচনা এবং প্রশাসনিক কর্মকর্তা ,জেলা সভাধিপতি নীলিমা বিশাল মিস্ত্রীএবং জিবিডিএ চেয়ারম্যান শ্রীমন্ত কুমার মালির সাথে তাঁর কার্যালয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পর দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু বলেন,মেলার সময় নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য এ বছর চারটি নতুন অস্থায়ী দমকল কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।
এদিন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু সংবাদমাধ্যমকে জানান যে, গত বছর গঙ্গাসাগর মেলার সময় ১৪টি অস্থায়ী দমকল কেন্দ্র চালু ছিল, যা এবার ১৮টিতে উন্নীত করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।প্রশাসনের তথ্য সূত্র অনুসারে, ১৮টি অস্থায়ী দমকল কেন্দ্রের মধ্যে ১১টি মেলা প্রাঙ্গণ এবং তার আশেপাশে মোতায়েন করা হবে, বাকি ৭টি অন্যান্য কৌশলগত স্থানে অবস্থিত হবে। মেলার সময়, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ৩৫৮ জন কর্মী দ্বারা পরিচালিত হবে। যার মধ্যে রয়েছে বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা থেকে শুরু করে দমকলকর্মী। জনাকীর্ণ এলাকায় বৃহৎ অগ্নিনির্বাপণ ইঞ্জিনের অসুবিধা বিবেচনা করে, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য ৭৫টি বিশেষ অগ্নিনির্বাপক বাইক মোতায়েন করা হচ্ছে। এছাড়াও,এবার গঙ্গাসাগর মেলায় ১১টি বৃহৎ অগ্নিনির্বাপক ট্যাঙ্কারও প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। প্রতিটিতে তিনটি করে অগ্নিনির্বাপক পাম্প রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দাবি, এই ব্যাপক ব্যবস্থা গঙ্গাসাগর মেলার সময় সম্পূর্ণ অগ্নি নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করবে।

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯১৫৩০৪৩৩৮০
