
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- গভীর রাতে বাড়ি ফিরে ফেলল বিশাল পুলিশ বাহিনী। আর তারপর বাধা দিতে গেলে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ধৃত উত্তম দাসের পরিবারের লোকজনদের। অভিযুক্তর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন সহ একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল নেতা উত্তম দাস।
পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়া উত্তম দাস ছিলেন তৃণমূল পরিচালিত দক্ষিণ২৪পরগণার ক্যানিং ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি। এছাড়াও ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ক পরেশনাথ দাস সম্পর্কে তাঁর দাদা ।
এ বিষয় নিয়ে সংবাদ মাধ্যম কে ক্যানিং পশ্চিমের বিধায়ন পরেশ রাম দাস জানান, “ উত্তম দাস সম্পর্কে তারা দাদা। শুক্রবার গভীর রাতে ক্যানিং থানা পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী জওয়ানরা উত্তম দাসের বাড়ি পৌঁছায়, উত্তম দাস কে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মহিলাদেরও মারধর করা হয় পাশাপাশি তিনি আরো বলেন, রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে না গিয়ে সকালে থানায় ডাকতে পারতো। যেভাবে রাতে গ্রেফতার এবং মহিলাদের উপর অত্যাচার করা হয়েছে তা গণতন্ত্রের পরিপন্থী”।
এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,,ভোটের ফল প্রকাশের দিন অর্থাৎ ৪ঠা মে সন্ধ্যার সময় ক্যানিংয়ে গুলি চলে আর সে সময় এক বিজেপি কর্মী আহত হন। সেই ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগ ছিল উত্তম দাসের। এলাকায় এলাকার হুমকি- ভয়ের বাতাবরণ তৈরি অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। উত্তম দাসের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইন, মারধর, হুমকি ও প্ররোচনা দেওয়ার মতো একাধিক মামলায় দায়ের হয়। ধৃতকে আজ আলিপুর আদালতে পেশ করা হবে ।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় অভিজ্ঞ তদন্তকারীরা।

ADVT





