
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:-বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই এলাকাজুড়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের লাগাতার তান্ডবের অভিযোগে বৃহস্পতিবার ও গোসাবার বিধায়ক বিকর্ণ নস্কর নেতৃত্বে ক্যানিং থানা সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে পরে ডেপুটেশন দেয় বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। আর তার একদিন কাটতে না কাটতেই শুক্রবার রাতে ক্যানিং থানার আইসিটি কে সাসপেন্ড করা হলো।
ভোট এবং ভোটের পরবর্তী সময়ে এলাকায় দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়েছে, তৃণমূল আশ্রিত দুস্কতীরা এলাকায় দুষ্কৃতীদের তান্ডব, আগ্নেয়াস্ত্র নিয়েও পাশাপাশি আরও অভিযোগ বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি ভয় দেখানো চলছে। আর এই অভিযোগের ভিত্তিতেই বৃহস্পতিবার রাতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ক্যানিং থানায ডেপুটেশন দেয় বিজেপি।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিজেপির পক্ষ থেকে তোলা অভিযোগের ভিত্তিতে রাতে একাধিক জায়গায় তল্লাশিতে নামে পুলিশ। যদিও কোন দুষ্কৃতী বা কোন আগ্নেয় অস্ত্র পাওয়া যায়নি বলে ক্যানিং থানা সূত্রে খবর। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্যানিং থানার আইসি অমিত হাতিকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।। তবে সূত্রে খবর, সাসপেন্ড হওয়া পর এখনই ওই জায়গায় নতুন কাউকে নিয়োগ করা এখনো হয়নি। বারুইপুর পুলিশ জেলার হেডকোয়াটার আপাতত দায়িত থাকবে।
উল্লেখ্য ভোট গণনার পরের দিন ৫ই মে একটি অভিযোগ আসে তৃণমূলের তরফ থেকে।
সেই অভিযোগে বলা হয়, বিজেপির পক্ষ থেকে বারুইপুরের পশ্চিমের একাধিক জায়গায় ভাঙচুর করা হচ্ছে। এই অভিযোগ পাওয়ার পরই ঘটনা স্থলে পৌঁছায় বারুইপুর থানার আইসি এবং অন্যান্য আধিকারিকরা। তাঁরা দেখতে পান বারইপুর পশ্চিমের বিজেপি প্রার্থী কে। যদিও অভিযোগের ভিত্তিতে বিজেপি প্রার্থী কোন ভাঙচুর করেছিল কিনা তার কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি ।তাঁকে রাস্তায় দেখতে পেয়েই মারধর করতে থাকে পুলিশ আধিকারিকরা বলে অভিযোগ। মারধোরের সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে একাধিক কেস ও দেওয়া হয়। এরপরওই বিজেপি প্রার্থী লিখিতভাবে অভিযোগ জানান। আর সেই লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে রাজ্য পুলিশ। এরপরই সাসপেন্ড করা হয় দক্ষিণ২৪পরগণার বারুইপুর থানার আইসি সমর দে ও সাব ইন্সপেক্টর সুকুমার রুইদাস কে।

ADVT





