উত্তরবঙ্গের বিপর্যয়ে এখনও খোঁজ নেই ডায়মন্ড হাবারের যুবকের,উদ্বিগ্ন পরিবার

রাজ্য

বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- কর্মসূত্রে উত্তরবঙ্গে গিয়েছিলেন ডায়মন্ড হারবারে যুবক। পাহাড়ি নদীতে হড়পা বান ধ্বসের নামার ফলেই নিখোঁজ হয়ে গেছেন তিনি। তাঁর নাম হিমা্দ্রী পুরকাইত  (২৫)। বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের পারুলিয়া উপকূল থানার কামারপোল  এলাকায়। উত্তরবঙ্গে বিপর্যয়ে পর ক্রমশ দুশ্চিন্তায় তাঁর পরিবার। সময় যত যাচ্ছে, ততই ক্রমশ বাড়ছে চিন্তা।
এদিকে এই ঘটনার পর এগিয়ে এসেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন। ইতিমধ্যে যোগাযোগ করেছে দার্জিলিং প্রশাসনের সঙ্গে ।
জানা গেছে। হিমাদ্রি পুরকাইত কখনো ট্যুর গাইড হিসেবে  আবার কখনো স্বেচ্ছাসেবক  হিসেবে বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় কাজ করতেন। পাশাপাশি গায়ক হিসেবে তাঁর সুনাম ছিল। গত ২২শে সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে সুখিয়া পোখরিতে গিয়েছিলেন। সেখানকার সোনাদা এলাকায় ঘোরাঘুরিও করেছিলেন, তিনি বন্ধুদের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে যোগাযোগ করেছিলেন। তবে শনিবারের পর থেকে হিমাদ্রির সঙ্গে তাঁর পরিবারের সব যোগাযোগ  একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এখনো মেলেনি তাঁর খোঁজ। সময় যত যাচ্ছে উদবেগ বাড়ছে পরিবার,প্রতীবেশী থেকে বন্ধু-বান্ধবদের মধ্যেও।এবিষয় তাঁর পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দার্জিলিং এর একটি ভ্রমণকারী দলের সঙ্গে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে পাহাড়ে গিয়েছিলেন তিনি। রবিবার শুখিয়া পোকরি থানা  হিমাদ্রীর বাবা মাকে জানায়, প্রবল বৃষ্টির কারণে আকস্মিক বন্যায় তাদের টেন্টটি ভেসে যেতে পারে।
হিমাদ্রির বাবা প্রশান্ত পুরকাইত সংবাদ মাধ্যমকে জানান, শনিবার তাদের শেষবার কথা হয়েছিল। হিমাদ্রির মা শুক্লা পুরকাইত বলেন ,হিমাদ্রি রোজ ফোন করত, শনিবার রাত দশটাতেও কথা হয়েছে। বলল মা শুয়ে পড়েছি। খুব বৃষ্টি হচ্ছে। মনে হচ্ছে বিদ্যুৎ থাকবেনা। রবিবার সকাল থেকে আর ফোনে পাচ্ছিনা। যা অবস্থা দেখছি তাতে চিন্তা হচ্ছে’।

 ইতিমধ্যে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মৃত্যু হয়েছে বহু মানুষের। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় বন্যা পরিস্থিতি। দার্জিলিঙে একের পর এক রাস্তায় ধ্বস। সেই সাথে বিচ্ছিন্ন হয়েছে পড়েছে অনেক রাস্তা ও সড়ক যোগাযোগ। সমস্যায় পড়েছেন পুজোর সময় পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়া বহু পর্যটক।

এদিকে পুজোয় দার্জিলিংয়ে ঘুরতে গিয়েছিলেন ডায়মন্ডহারবারের এক পর্যটক তাপস বারিক তিনি বলেন, ‘চারিদিকে ধ্বস।কিভাবে ফিরব বুঝতে পারছিলাম না।একনাগারে বৃষ্টি। সেই সঙ্গে মুহুর মহুর বাজ পড়ছে।সেকি কানফাটানো আওয়াজ।বহু বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরেছি, অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে।তবে এদৃশ্য আগে কখন দেখিনি।কোন ক্রমে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে শিলিগুড়ি এসে সরকারি বাসে কোলকাতা, পরে ডায়মণ্ডহারবারে বাড়ি ফিরেছি।অনেক অভিজ্ঞতা হল।তবে সুযোগ পেলে আবারও ভ্রমণে যাব’।  

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯১৫৩০৪৩৩৮০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *