
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- ফলতার পুণঃনির্বাচনের পর থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিলনা। এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ক্রমেই বাড়ছিল। শেষমেশ পুলিশের জালে ফলতার জাহাঙ্গীর খান। সূত্রের খবর, ফলতার এই দাপুটে প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা নেপাল সীমান্ত থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল ট্রাস্কফোর্স (STF)। পুলিশ সূত্রে আরো খবর- গ্রেপ্তার করে তাকে কোলকাতায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
জানা গেছে, নেপাল সীমান্ত ধরে পালানোর চেষ্টা করছিল ফলতার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীর খান।
গোপন সূত্রে খবর পায়- STF এর অভিজ্ঞ তদন্তকারীরা। এরপর তাকে গ্রেফতার করে।
প্রসঙ্গত গত ২১শে মে ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রে পুনঃনির্বাচন হয়েছিল। আর তার ঠিক ৪৮ ঘন্টা আগে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ায় তৃণমূলের ফলতার প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান। রীতিমত সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেছিলেন, ‘আমার স্বপ্ন ছিল সোনার ফলতা। তাই আমাদের সম্মানীয় মুখ্যমন্ত্রী ফালতার উন্নয়নের জন্য স্পেশাল প্যাকেজ দিচ্ছেন। সেজন্য আমি ২১শে মে যে, পুনঃনির্বাচন আছে সেই লড়াই থেকে আমি নিজেকে দূরে সরিয়ে নিলাম’।
অন্যদিকে ফলতা বিধানসভার ভোটের ঠিক পাঁচদিন আগেই শুক্রবার গভীর রাতে ডায়মন্ড হারবার মহাকুমার ফলতায় এলাকায় হিংসা ছাড়ানো,খুনের চেষ্ট সহ একাধিক গুরুতর অপরাধের মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় ফলতা পঞ্চায়েত সমিতির সহ-সভাপতি প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা সাইদুল খান। ধৃত সাইদুল খান তাঁর দাপুটে তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীর খানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে সাইদুল খানের বিরুদ্ধে এলাকায় অশান্তি ছড়ানো এবং খুনের চেষ্টা সহ একাধিক পুরনো এছাড়া নতুন মামলা ছিল। শুক্রবার গভীর রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ফলতা থানার পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী বিশেষ অভিযান চালায় এবং তাঁকে গ্রেফতার করে।
এদিকে রাজ্যের শাসকদল বিজেপি এবং অন্যান্য বিরোধী দলগুলো এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ করেছিলেন,
সাইদুল খান ও তার অনুগামীরা ভোটের আগে থেকে এলাকায় সন্ত্রাস তৈরির পরিকল্পনা করেছিল ।বহুদিন মানুষ শান্তিতে নিজের ভোট নিজে দিতে পারিনি বলে অভিযোগ।

ADVT





