
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- রবিবার গভীর রাতে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার যাদবপুর ষ্টেশন চত্বরে দোকান গুলিতে চলল বুলডোজার ।এর প্রতিবাদ করতে গিয়েই আটক হলেন বাম নেতা সুজন ভট্টাচার্য সহ একাধিক আন্দোলনকারী ।প্রতিবাদ যখন তীব্র আকার ধারণ করে তখনই শুরু হয় পুলিশের লাঠি চার্জ।এই ঘটনায় আহত হয়েছে অনেকে। কিছু সময়ের মধ্যেই প্রতিরোধ ছএভঙ্গ হয়ে যায় ।আর সে সময় বুলডোজার দিয়ে ভেঙ্গে ফেলা হয় দোকান ঘর গুলি। যে সমস্ত নির্মাণের বিরুদ্ধে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল একে একে ভেঙে ফেলার প্রক্রিয়া শুরু হয়।
রাতের অন্ধকারে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে যাদবপুর। অবশেষে আজ সোমবার, যাদবপুরে বুলডোজার নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ- তিনি সংবাদ মাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন ,স্টেশন চত্তর দখল করে থাকার ফলে উন্নতি হচ্ছে না পশ্চিমবঙ্গের’। পাশাপাশি তিনি বলেন- ফুটপাথ দখল করে আছে, ‘স্টেশন দখল করে আছে জনজীবন যদি স্তব্ধ হয়ে যায় কটা লোকের জন্য তাহলে পশ্চিমবঙ্গ এগোবে কি করে? যারা ওখানে বসে আছেন তাদের ভাবতে হবে’। সেই সাথে তিনি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দেন, ‘অন্য জায়গা দেখুন। সরকারও ভাবছে। হাজার হাজার লোক যদি কব্জা করে থাকে। সবাইকে তো জায়গা দেওয়া সম্ভব নয়। সমাধান টা কি ?আগে জায়গা ছাড়তে হবে’।
প্রসঙ্গত ,রবিবার গভীর রাতে বুডলোজার নিয়ে যখন দোকানগণ গুলি ভাঙতে আসে প্রশাসন তখনই আটকে দেয় বিক্ষোভকারীরা। অভিযোগ সে সময়ই পুলিশ প্রতিরোধ ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ শুরু করে। এরপরেই বুলডোজার দিয়েই ভাঙার কাজ শুরু করে। তখনই শুরু হয় নতুন করে উত্তেজনা। লাঠিচার্জ এর ঘটনার আহত হয়েছেন একাধিক বিক্ষোভকারী বলে অভিযোগ। আহতদের স্থানীয় হাসপাতাল নিয়ে যাওয়া হয়।
সম্প্রতি বারুইপুর ,সোনারপুর ,ডায়মন্ড হারবারের মগরাহাট, লক্ষীকান্তপুর সহ। একাধিক ষ্টেশনে পুনর্বাসন ছাড়াই হকার উচ্ছেদের প্রতিবাদে বারে বারে পথে নেমেছে বাম নেতারা। কয়েকদিন আগে বামেদের সম্মিলিত প্রতিবাদের মুখে ফিরে যেতে হয়েছিল বুলডোজার দিয়ে অভিযান। তবে রবিবার উচ্ছেদের আগাম ইঙ্গিত পেতেই বাম কংগ্রেস নেতারা রাতেই জমায়েত শুরু করেন যাদবপুর রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন এলাকায়। এখানে উপস্থিত ছিলেন, সৃজন ভট্টাচার্য, সুজন চক্রবর্তী সহ বাম নেতারা। এছাড়া প্রদীপ প্রসাদ, সৌরভ প্রসাদ আশুতো চট্টোপাধ্যায় সহ কংগ্রেস নেতা কর্মীরা।
বামদের দাবি- ‘কমার্শিয়াল প্লট না দিয়ে, হকারদের পুনর্বাসন ব্যবস্থা না করে উচ্ছেদ করা যাবে না’।

ADVT





