
রমেশরায়(আলিপুর)বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক :– রাজ্যে পালা বদলের পর নতুন সরকার এক মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করল। ৬ আগষ্ট নবান্ন থেকে পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনার উদ্বোধন করলেন মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন এক ভার্চুয়াল মিটিং এর মাধ্যমে রাজ্যে দশ লক্ষ উনত্রিশ হাজারের বেশি মানুষের হাতে এই আবাস যোজনায় গৃহনির্মাণের জন্য ষাট হাজার করে টাকা অনুদান হিসাবে তুলে দেন।
এদিনের এই অনুষ্ঠানে পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘এই স্কীমটি পূর্ববর্তী রাজ্য সরকার বাংলার বাড়ি নাম দিয়ে চালিয়েছে। যাদের টার্গেট ছিল ত্রিশ লক্ষ মানুষকে গৃহ নির্মাণের টাকা দেওয়া কিন্তু তারা প্রথম কিস্তি দেওয়ার পর দীর্ঘ প্রায় ছয়মাস উপভোক্তারা এই টাকার দ্বিতীয় কিস্তি পাচ্ছিলেন না। যা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরুপ ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছিলো। কিন্তু গরীব ও আদিবাসী এবং তপশিলী জাতি উপজাতি প্রান্তিক মানুষদেরর্থ কথা ভেবে তারা এই আবাস যোজনার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করেছেন। যার ফলে এদিন দশ লক্ষের বেশি মানুষের হাতে ষাট হাজার টাকার চেক তুলে দেওয়া হলো’। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘পূর্বতন সরকার কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে আবাস যোজনার টাকা ঠিক মতো খরচ করেনি। যে কারণে এস আই আরে যে ৯১ লক্ষ মানুষের নাম ভোটার লিষ্ট থেকে বাদ গেছে তাদের মধ্যে ৫৭ হাজার ভুয়ো প্রাপক ছিলেন যারা এদেশের আদৌ নাগরিক নন। এদিন মুখ্যমন্ত্রী এই স্কীমের নাম পশ্চিমবঙ্গ আবাস যোজনা রাখার কারণ ব্যাখ্যা করে বলেন ভারত কেশরী ডা শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর প্রচেষ্টায় এই রাজ্য পাকিস্তানের অন্তর্ভূক্ত হয়নি। তাই এর নাম পশ্চিমবঙ্গ দেওয়া হয়েছিল যা এক মহতী ইতিহাস। তাই পশ্চিমবঙ্গ কথাটি কখনোই বাদ দেওয়া যাবে না। আর সেই কারণে এই প্রজেক্ট পশ্চিমবঙ্গ আবাস প্রকল্প হিসাবে ঘোষনা করা হল’। এদিন নবান্নের এই কর্মসূচি ভার্চুয়াল কর্মসূচিতে অংশ নেয় দক্ষিণ ২৪ পরগনার জেলা ট্রেজারী বিল্ডিং এদিন প্রায় পচিশজন উপভোক্তাকে জেলা শাসক অভিষেক কুমার তেওয়ারি , ষাট হাজার টাকার চেক প্রদান করেন।এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সভাধিপতি নীলিমা বিশাল মিস্ত্রী, জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি শ্রীমন্ত কুমার মালি এবং কর্মাধক্ষ্য শচীরানী মন্ডল।






