
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- রাজ্যে বাড়ছে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা। শহর থেকে জেলার মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে প্রচুর। এই মুহূর্তে বর্ষার কিছুটা হলেও কমেছে কিন্তু ডেঙ্গু মোটেই কমছে না। আর এর জেরে কিছুটা হলেও আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী চেষ্টা করছেন ডেঙ্গু কমাতে একের পর এক বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন তিনি। আজ রবিবার ডেঙ্গি নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। এবিষয় সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে রাজ্যে সরকারের অ্যাকশন মুড সকলের সামনে এনেছেন ।এই মুহূর্তে রাজ্যের ডেঙ্গি আত্তান্তের সংখ্যা সাড়ে চার হাজারেরও বেশি। শুধু কোলকাতাতেই আক্রান্তের সংখ্যা ৪০০বেশি।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গু। সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ দেখা দিয়েছে মুর্শিদাবাদে। সেখানে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কোলকাতা ,তিন নম্বরে উত্তর চব্বিশ পরগনা।
রাজ্যে ডেঙ্গি বাড়াবারন্ত ঠেকাতে নবান্নে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের পরেই তৎপর রাজ্য সরকার। নগরোন্নয়ন ও পুরও দপ্তরের উদ্যোগে পরিচালিত তিন দিনের বিশেষ রাজ্যব্যাপী পরিচ্ছন্নতা এবং ডেঙ্গি প্রতিরোধক মূলক ‘স্বচ্ছতা সংকল্প অভিযান’ করার পর যে সাফল্য এসেছে তা বিস্তারিত খতিয়ান রবিবার সমাজমাধ্যমে পোস্ট করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এ বিষয়ে তিনি লেখেন ‘পরিছন্ন পশ্চিমবঙ্গের লক্ষ্যে আমাদের সংকল্প স্বচ্ছতা সংকল্প অভিযান পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই বিশেষ কর্মসূচির অধীনে রাজ্যের ২২ টি জেলায় ১২৮টি পৌরসভার অন্তর্গত ১৬০০র বেশি ওয়ার্ডে একসঙ্গে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও সাফাই অভিযান চালানো হয়েছে’।
তবে স্বাস্থ্যের নির্দেশিকার মধ্যেই স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর রাজ্যে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িছে সাড়ে চার হাজার। মূলত দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে দাপট দেখাচ্ছে ডেঙ্গু। জেলায় সংক্রমণের সবথেকে উপরে মুর্শিদাবাদ ।পরিসংখ্যান অনুযায়ী ২রা সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এখানে আক্রান্ত হয়েছে ৮৭০ জন, দ্বিতীয় স্থানে কোলকাতা সংক্রমিত হয়েছেন ৪০২ জন, উত্তর ২৪ পরগনা সংখ্যা ৩৪৬ জন, মালদায়। ৩ ৩১ জন ,দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ৩২৪ জন, নদীয়ায় ৩১৬ জন, হুগলিতে ২৯৩ জন, হাওড়ায় ২৭৬ জন, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের যথাক্রমে২৩৩ এবং ১৪০। আর এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী বার্তা দিলেন, ‘শুধু পরিষ্কার নয় ,এখন সময় সম্মিলিত ভাবে নিজেদের পারিপার্শ্বিক এলাকা পরিষ্কার রাখার সংকল্প নেওয়ার। আসুন নিজেদের সুস্থ রাখতে পরিবেশ কে পরিচ্ছন্ন রাখতে এই স্বচ্ছতা অভিযানকে সর্বাত্মক জন আন্দোলনে পরিণত করি। প্রতিটি পাড়া প্রতিটি রাস্তা, প্রতিটি নর্দমা এবং প্রতিটি জনবহুল স্থানকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব আমরা সকলে কাঁধে তুলে নেই’। এদিন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ডেঙ্গু নিয়ে বললেন, আমাদের পরিষ্কার নির্দেশ আছে যা রোগ হবে সেটাই লিখতে হবে। আগের সরকার সংখ্যা কমাতেও রোগ লুকাতে। লুকোনোর কি আছে ? যদি ডেঙ্গু থাকে নিশ্চয়ই ব্যবস্থা হবে। চিকিৎসকদের ডেঙ্গু লিখতে গেলে ভয় পাওয়ার কোন কারণ নেই। ডেঙ্গু হলে ডেঙ্গু লিখবেন। না হলে না লিখবেন’।






