
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- সোমবার সকালেই শুরু হলো ইডির হানা ।এবার অভিযান তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ নাদিমুল হকের কার্যালয়। সুতের খবর কোলকাতার পার্ক সার্কাসের ‘আখবার- কি মশরিক’ নামক উর্দু সংবাদপত্রের অফিসে হানা দিয়েছে ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরটর। সেই সাথে আরও দুটি তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছে ইডি। বিপুল আর্থিক লেনদেন মামলায় এই অভিযানের ঠিক আগে পুরো এলাকা ঘিরে রেখেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। অফিসের মূল ফটকে ইডি আধিকারিকদের উপস্থিতিতে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে তালা ।
জানা গেছে, উর্দু ওই সংবাদপত্রের ডিরেক্টর তৃণমূল সংসদ নাদিমুল হক। তাঁর সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে অফিসে আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ রয়েছে এছাড়াও ওই খবরের কাগজের বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগ রয়েছে। আর সেই কারণেই তার অফিসে হানা দেয় ইডি বলে অভিযোগ। অভিযোগের ভিত্তিতে ইডি ECIR করে এরপরই তল্লাশি করে ।ওই সংবাদপত্রের মাধ্যমে ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বিপুল পরিমাণে আর্থিক লেনদেন হয়েছিল। যার কোন সঙ্গতি পাওয়া যায়নি। আর তারপরেই তল্লাশি অভিযান চালায় ইডি। ইডি সূত্রের খবর, তল্লাশি অভিযানের একাধিক বেনামি ও ভুয়ো অ্যাকাউন্টের তথ্য মিলেছে ।তদন্তকারীদের দাবি ওই অ্যাকাউন্ট গুলিতে একাধিক ফলস ডিপোজিট এর তথ্য পাওয়া গিয়েছে ।পাশাপাশি আর্থিক লেনদেনের নথি খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। ইডি সূত্রে আরও খবর, ঘুরপথে একাধিক অ্যাকাউন্টের পাঠানো টাকার কোন তথ্য মিলছে না ।প্রাথমিকভাবে তদন্তকারীদের অনুমান দুর্নীতির টাকা এভাবে বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে সরানো হয়ে থাকতে পারে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট লেনদেনের উৎস এবং কার সঙ্গে লেনদেন হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এদিন তার পাস সার্কাসের আরো দুটি বাড়ি ,দিল্লির সংসদের বাংলো এবং রাঁচিতে তাঁর বিভিন্ন কার্যালয়ে হানা দিয়েছে একযোগে ইডি।
প্রসঙ্গত দিল্লিতে নাদিমু। হক সাংসদদের বাংলো থেকেই আজ কালীঘাট তৃণমূলে তাড়াতাড়ি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করার কথা ছিল। এতদিন পর্যন্ত তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিকের সরকারি বাসভবনে দিল্লিতে তৃণমূলের সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহার করা হতো। তবে ২০২৬-এর নির্বাচনের পরে বদলে যায় সেই সমীকরণ। সাংবাদিক বৈঠকের আগেই তাঁর বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা পৌঁছায় ,যা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন অভিজ্ঞ রাজনৈতিক মহল।






