পুজোয় রেস্তোরাঁয় বাসি-পচা খাবার ! খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযান ডায়মণ্ডহারবারে

রাজ্য

বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:-  পুজোর বিজয়া দশমী  । বাঙালির অন্যতম বড় উৎসব দুর্গাপুজো। পুজোর কটা দিন কিছুটা ছুটি কাটানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিবার নিয়ে হৈ হুল্লোরে মেতে ওঠেন  সাধারণ মানুষ।  আর  এই খুশির সময় খাবার থাকবে না তা কি হয়? কেউ কেউ  বাড়িতে রান্না করে  তৃপ্তি করে খান। আবার কেউ বাড়িতে রান্নার ঝামেলা না নিয়েই  বাইরের রেস্তোরাঁ থেকে খাবার কিনে নেন। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই উৎসবের মুহূর্তে মানুষের স্বাস্থ্যকে নিয়ে উপেক্ষা করে কেবল মুনাফার  লোভে বসি, পচা , অস্বাস্থ্যকর খাবার বিক্রির রমরমা ব্যবসা পর্দাফাঁস। ডায়মন্ড হারবারে রেস্তোরাঁ ,হোটেল গুলিতে দশমীর দিন বিকেল থেকেই দক্ষিণ২৪পরগণা জেলা খাদ্য সুরক্ষা দপ্তর,পুলিশ, দমকল এবং পৌরসভার  যৌথ অভিযানে উঠে এল এক  চাঞ্চল্যকর চিত্র।
দশমীর দুপুরের পর থেকেই স্থানীয় প্রশাসন খাবারের গুণগত মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই  বিশেষ অভিযান চালায়। ডায়মন্ড হারবার শহরের একাধিক  ছোট বড় রেস্তোরাঁ হোটেলে হানা দেয়। আগে থেকেই খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের কাছে খবর ছিল, বেশ কিছু রেস্তোরাঁ ও হোটেলে পুরনো বাসি পচা খাওয়ার মজুদ হচ্ছে।আর সেগুলি গরম করে  সুস্বাদু মসলা দিয়েই  গরম গরম রান্না ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ।
তবে এদিন প্রশাসনের অভিযানের সময় খাবারের হোটেল গুলোর রান্নাঘরে  ঢুকে ফ্রিজ খুতেই চক্ষুচড়ক গাছ। সেখানে থরে থরে বেরিয়ে আসছে বাসি খাওয়ার। ক্রেতাদের চাহিদা মেটাতে এবং খরচ কমাতে এই খাবারগুলি পুনরায় ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করা হয়েছিল।
খাদ্য সুরক্ষা দপ্তরের অভিযানের পর, এ সাংবাদ চাউর হতেই অনেক নিয়মিত ক্রেতা এখন ঢোক গিলছেন আর বলছেন,সেই ষষ্ঠী থেকেই বাড়ির ছোটদের আবদার মেটাতে গিয়ে রেস্তোরাঁ থেকেই খাবার এনে সকলে মিলে খেয়েছিলাম। ইস কিছু হবে নাতো!

জেলা খাদ্যসুরক্ষা দপ্তরের এক আধিকারিক জানান, ‘উৎসবের মরসুমে যেখানে সাধারন মানুষ আছেন। তাদের খেতে দিচ্ছে সেসব দোকান গুলির খাদ্যসুরক্ষা সরজমিনে তদন্ত করা হল।বেশ কিছু জায়গায় দেখা গেছে,যে দোকোনের যে লাইন্সেসটা দরকার সেটা নেই বা থাকলেও যে নিয়ম নীতি পালন করার দরকার সেটা করছেন না।একটা মাংস যে টেম্পারেচারে রাখা উচিত, রান্না করা খাবার যে টেম্পারেচারে রাখা উচিত সেগুলো রাখছে না।বেশ কিছু জায়গায় দেখা গেছে,কিচেনের মধ্যে যে সুরক্ষা বিধি পালন করা উচিত সেগুলো নেই।ওনাদের সাত দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।ওনারা কথা দিয়েছেন ওই সুরক্ষা বিধি যথাযথ পালন করবেন।না হলে সাত দিন পর আমাদের দপ্তর যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেবে’।  

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯১৫৩০৪৩৩৮০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *