
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- অন্ধ্র উপকূলে আঁছড়ে পড়ার পর থেকেই ধীরে ধীরে ক্রমশ শক্তি ক্ষয় হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মন্থার। যদিও তার প্রভাবে আজ রাজ্য জুড়ে বৃষ্টির পূর্ব জারি থাকবে বলে জানিয়ে দিয়েছে আলিপুর হাওয়া অফিস। বেশ কয়েকটি জেলায় হতে পারে ভারী বৃষ্টি।
আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী তীব্র ঘূর্ণিঝড় মন্থা অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলের আঁচড়ে পড়ল। তার প্রভাবে বৃষ্টি পশ্চিমবঙ্গে। সমুদ্র উত্তাল থাকায় ৩০শে অক্টোবর পর্যন্ত অর্থাৎ আগামীকাল বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সমুদ্রে মৎস্যজীবীতে যাওয়ার উপরে নিষেধাজ্ঞা আগেই জারি করেছে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী বুধবার সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা থাকবে, সঙ্গে ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী প্রভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে একাধিক জেলায়। সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০-৩১ ডিগ্রির আশেপাশে ঘোরাফেরা করবে। এদিকে দক্ষিণবঙ্গে আবহাওয়ার পৃর্বাভাস অনুযায়ী আজ ২৯ শে অক্টোবর বুধবার বৃষ্টি বাড়বে দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাতের হওয়ার পূর্বভাস রয়েছে। ৩০- ৩১ শে অক্টোবর অর্থাৎ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার পশ্চিমের জেলা পুরুলিয়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, দুই বর্ধমান জেলায় দুই এক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। নভেম্বরের ১- ২ অর্থাৎ শনি ও রবিবার থেকে ধীরে ধীরে বৃষ্টি কমবে।তবে দুই একটি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া পরিস্থিতি ২৯শে অক্টোবর বুধবার দার্জিলিং, কালিম্পং, মালদা ও দিনাজপুরের হালকা বৃষ্টি হতে পারে। উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে ৩০- ৩১ শে অক্টোবর। ঘূর্ণিঝড় মন্থার প্রভাবে উত্তরে বৃষ্টি বাড়বে বলে জানিয়েছে আলিপুর ও হাওয়া অফিস। ৩০- ৩১শে অক্টোবর বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার উত্তরের সব জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে বিশেষ করে দার্জিলিং ,জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে ভাড়ী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।। তবে শনি রবিবার সপ্তাহ শেষে বৃষ্টি ধীরে ধীরে কমলেও কিছু এলাকায় বজ্রবিদ্যুৎ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে।

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯১৫৩০৪৩৩৮০
