
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- বিধানসভা ভোটের আগেই নারী নিরাপত্তা প্রসঙ্গে বিজেপি নেতারা বারবার দুটি নাম উল্লেখ করেছেন তা হল আর জি কর এবং সন্দেশখালি। আর এবার বিপুল জনাদেশ নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর, আজ শুক্রবার নবান্ন থেকে আর জি কর কান্ডের ফাইল খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
নবান্ন থেকে এদিন শুভেন্দু অধিকারী কড়া সুরে বলেন, ‘আরজিকরের ঘটনার ভয়াবহতা শুধু এরাজ্যে নয়, বিশ্ব কেঁপে গিয়েছিল। ঘটনায় দুই পুলিশ অফিসার মৃতার পরিবারকে টাকা দিতে গিয়েছিল। আরজিকর তদন্তের পুলিশের গাফিলতির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফোন কল রেকর্ড, whatsapp চ্যাট, সব খতিয়ে দেখা হবে। আরজিকোর কাণ্ডে সাসপেন্ড তিন আইপিএস অফিসার। তাঁরা হলেন, বিনীত গোয়েল, ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়, অভিষেক গুপ্ত’। এদিন নবান্ন থেকে জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করবে রাজ্য এমনটাই জানানো হয়েছে।
এদিন তিনি বলেন,আরজি কর নিয়ে ক্যাবিনেটে আরও বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।আমি পুলিশের কাছে লিখিত চেয়েছিলাম যে কীভাবে আরজি কর ও তার পরের কিছু বিষয় নিয়ে
কীভাবে কাজ করা হয়েছিল।মুখ্যসচিব,স্বরাষ্ট্রসচিব ফ্যাক্ট ফাইডিংয়ের কাজ করেছে গত কয়েকদিন ধরে।পুলিশের যে কাজ করা উচিত ছিল সে বিষয়গুলি দেখব।আমরা সিবিআইয়ের তদন্তের দিকে যাচ্ছিনা।সেটি আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।আমরা পুলিশের বিষয়টি দেখব’।
পাশাপাশি এদিন তিনি আরো বলেন, ‘সেই সময় সিনিয়র পুলিশ অফিসার যারা ছিলেন কোলকাতা পুলিশের সিপি এবং অন্যান্যরা তাদের সেই সময়ের কাজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনায় দুই পুলিশ অফিসার রাজ্য সরকারের তরফ মৃতার পরিবারকে টাকা দিতে গেছিল ।এই অভিযোগ নিয়ে বিভাগীয় তদন্ত হবে। কোন কল রেকর্ড হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট, কল- সব খতিয়ে দেখা হবে। তৎকালীন কোন মন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন কিনা তা খতিয়ে দেখতে হবে’। এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন,’আরজি কর তদন্তের প্রথম থেকে যারা এই তদন্তকে ভুল পথে চালিত করেছে। সঠিকভাবে এফ আই আর তদন্ত পুলিশ প্রথমে ডিসিপ্লিন মেনে সেটা করেনি এই বিষয়টি খতিয়ে দেখছি’।

ADVT





