
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- সোনারপুরে অভিষেক পৌঁছতেই একেবারে হুলুস্থুল কান্ড। মৃত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে যাওয়ার পথেই শনিবার বিকেলের দিকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে ঘিরে ব্যাপক বিক্ষোভ শুরু হয়। প্রথমে তীব্র চোর চোর স্লোগান। তারপরে ডিম, জুতো ছোঁড়া হয়।সেই সাথে দেখানো হয় কালো পতাকা। প্রবল বিক্ষোভে পড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এর সঙ্গে থাকা নিরাপত্তা কর্মীরা কোনক্রমে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কে হেলমেট পড়িয়ে নিয়ে যায়। সেই সময় ছিড়ে যায় অভিষেকের সাদা জামা।
এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, এখনো একমাস হয়নি এর মধ্যে এই অবস্থা। পুলিশকে বারবার বলা সত্ত্বেও এ ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এরপর তিনি মৃত তৃণমূল কর্মী বাড়িতে গিয়ে তাঁর পরিবারের সঙ্গে দেখা করে কথা বলেন। পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। সেখানে গিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘ আমাকে মারার চেষ্টা করা হচ্ছে, মেরে দিক আমাকে।আমি এর শেষ দেখে ছাড়বো।একটা পুলিশ নেই। দরজা ভাঙ্গার চেষ্টা চলছে’। এদিন কর্মীদের উদ্দেশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ দেন, এরকম ঘটনা ঘটলে পুলিশকে হোয়াটসঅ্যাপ করে রাখুন। রেকর্ড থাকবে ।আজকের ঘটনা নিয়ে আমি আদালতের দারস্থ হব।

উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের দেখতে গিয়ে নিজেই আক্রান্ত হলেন, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন বাইকে করে সোনারপুরে ঢোকার সময়ে গায়ে হাত তোলে বিক্ষোভ কারীরা। এলোপাতাড়ি চড়, ঘুষি মারা হয় মাথায় গায়ে বলে অভিযোগ।শেষমেশ ক্রিকেটের হেলমেট মাথায় দিয়ে কোনক্রমে ডায়মন্ড হারবারে সাংসদকে নিয়ে এগোতে থাকেন জনকয়েক নিরাপত্তা রক্ষী। তখনই তাঁর গায়ে ডিম ছোঁড়া হয়, জুতো ছোঁড়া হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় শার্টের বোতাম। ওই অবস্থাতেও হেঁটে এগিয়ে যেতে থাকেন তৃণমূল নেতা অভিষেক। এদিন প্রবল বিক্ষোভ সামলানোর চেষ্টা করে পুলিশ। কোলকাতা বেলেঘাটা হয়ে দক্ষিণ ২৪পরগণার সোনারপুরের আসার আগে কালীঘাটের বাড়িতে গিয়ে সিআইডির নোটিশ তিনি নিয়েছেন। সোনারপুরে ঢোকার আগে পাটুলীর কাছে ঢালাই ব্রিজ থেকে সোনারপুর এর কামরাবাদ সব জায়গায় শয়ে শয়ে বিজেপি কর্মীরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।

ADVT





