
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- বিধানসভা জাল সই কান্ড নিয়ে এবার তৃণমূল কংগ্রেসের দুই বিধায়ককে কারণেই যে হয়েছে তা ফাঁস করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার তিনি জানিয়েছেন, বিধায়কদের জাল সই নিয়ে অভিযোগ করেন তৃণমূলের বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা। আর তার ভিত্তিতেই বিধানসভার তরফে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়। মামলার তদন্ত ভার দেওয়া হয় সিআইডির হাতে। আর তার ফলেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সিআইডি যায় বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিকে মুখ্যমন্ত্রী সেই খবর ফাঁস করতেই উলুবেড়িয়ার বিধায়ক ঋতব্রত বন্দোপাধ্যায় এবং ইন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহাকে দল বিরোধী কাজের অভিযোগে বহিষ্কার করে দিল তৃণমূল কংগ্রেস।
দলীয় সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসুকে চিঠি পাঠানো হয়েছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে তৃণমূলের তরফ থেকে সরকারিভাবে কিছু জানানো না হলেও এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খুলেছেন, বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুনাল ঘোষ। তিনি বলেন ,’এবার বিধানসভায় নির্বাচনে দলনেত্রী আমায় মনোনয়ন দিয়েছে। দলের প্রতীকে আমি এবং আমরা বিধায়ক। ফল প্রকাশের এক মাসও হয়নি। তার আগেই দলে বিদ্রোহ, বিশ্বাসঘাতকতা, দলের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ। তাহলে আমরা দাঁড়িয়ে ছিলাম কেন? আজ দিদি মুখ্যমন্ত্রী হলে তো অনেকে মন্ত্রী হবার লবি করত। এখন হঠাৎ নানান কারণ দেখিয়ে দূরত্ব ?এটা কাপুরুষতা। পাশাপাশি তিনি বলেন দলের কর্মপদ্ধতি নিয়ে দলের বৈঠকে খোলাখুলি বলবো। প্রয়োজনে প্রকাশ্যে বলব কিন্তু দলের পাশে থেকে। তাতে কাজ না হলে তারপরে দেখা যাবে। তার আগেই ভালো সাজার এত চেষ্টা। অনেকের এর পিছনে অন্য কোন কারণ নেই তো ?যারা দলের কাছ থেকে বহু দায়িত্ব পথ ক্ষমতা এতদিন পেয়ে এসেছেন তাদের মধ্যে কতজন আজ সামনে আছেন ?বাকিরা কোথায়? তিনি আরো বলেন, দলের ভালো সময় ক্ষমতা। ছবি সেল্ফি।আর খারাপ সময় হাটু কাঁপছে? ভয় ?আপনি বিরোধী বিধায়ক হতে ভয়? সরকার পক্ষে থাকলে সাহসী? দলের তরফে বিধায়ক থাকবার পর দলের বৈঠক নিয়ে কোন বক্তব্য থাকলে দলকে না জানিয়ে গোপনে প্রতিপক্ষের কাছে অভিযোগ? এত বড় বিশ্বাসঘাতকতা? কর্মীরা বিচার করবেন ।দল আবার ঢেলে সাজাবেন নেত্রী। একটু অপেক্ষা করা গেল না? তাঁর এই বক্তব্যের পরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

ADVT





