
তপন কুমার দাস ,বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- অল্পের জন্য রক্ষা পেল বঙ্গোপসাগরে ডুবতে থাকা কাকদ্বীপের মৎস্যজীবি ট্রলার।উদ্ধার ১২জন মৎস্যজীবি।
জানা গেছে,বঙ্গোপসাগর থেকে মাছ ধরে ফিরে আসার সময় ক্রমশ একদিক হেলে যায় কাকদ্বীপের একটি ট্রলার। গত কয়েক দিন আগে এফ বি ‘সিদ্ধিবিনায়ক’ নামে একটি ট্রলার ১৩ জন মৎস্যজীবী নিয়ে সমুদ্রে রওনা দিয়েছিল। সোমবার রাতে ফিরে আসার সময় বকখালি থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে সমুদ্রের প্রবল ঢেউয়ে ট্রলার টির তলার অংশ ফেটে গিয়ে হুহু করে জল ঢুকে ডুবেতে শুরু করলে, ট্রলারে থাকা মৎস্যজীবিদের আত্মচিৎকার শুনতে পেয়েই কাছাকাছি থাকা অন্য মৎস্যজীবী ট্রলার ডুবে যাওয়ার ট্রলারটির সমস্ত মৎস্যজীবীকে উদ্ধার করে।যদিও এখনো পর্যন্ত দুর্ঘটনাগ্রস্থ ট্রলারটি কে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।
সম্প্রতি গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের শংকরপুরের মৎস্য বন্দর থেকে আসা একটি ট্রলার নিখোঁজ হয়ে যায়। প্রায় এক সপ্তাহের বেশি সময় পর গত রবিবার ডুবে যাওয়া ট্রলারটি সন্ধান মেলে ।পরে সুন্দরবনের পাথরপ্রতিমার গোবর্ধনপুরে ঘাটে ট্রলারটিকে নিয়ে আসা হয়। মোট ১৫ জন মৎস্যজীবীর মধ্যে ৯ জন মৎস্যজীবির দেহ উদ্ধার করে পুলিশ এব বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, বনদপ্তর ।শেষ পাওয়া খবর পর্যন্ত আজও মিলেছে ওই পুর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুরের ট্রলার থেকে মৎস্যজীবির দেহ উদ্ধার হয়েছে।ফলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল১০জন।দেহ ময়না তদন্তের জন্য কাকদ্বীপ হাসপাতালের পুলিশমর্গে পাঠানো হয়েছে। এখনো খোঁজ নেই ৫ জন মৎস্যজীবীর।দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। এই মুহূর্তে সমুদ্র উত্তাল, প্রবল ঢেউ অধিকাংশ মৎস্যজীবী ট্রলার ইতিমধ্যে উপকূলে ফিরে আসতে শুরু করেছে।
এদিকে এই ঘটনা প্রসঙ্গে কাকদ্বীপ ট্রলার মালিক সংগঠনের সম্পাদক বিজন মাইতি জানান,এফ বি সিদ্ধিবিনায়ক ট্রলির ১২ জন মৎস্যজীবি উদ্ধার হয়েছে।এরা সকলেই কাকদ্বীপ মহকুমার সাগরদ্বীপের বাসিন্দা।






