‘বিশ্ব জলে ডুবে যাওয়া প্রতিরোধ দিবস’ পালিত হল সুন্দরবনের সাগরদ্বীপে

রাজ্য শিক্ষা স্বাস্থ্য

রমেশ রায় (গঙ্গাসাগর)বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- প্রতিবছর ২৫ শে জুলাই বিশ্ব জলের ডুবে মৃত্যুর প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়। ২০২১ সালে এপ্রিল মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে রেজুলেশনের মাধ্যমে এই দিবসটিকে ঘোষণা করা হয়। জলে ডুবে অকালে মৃত্যু রোধে এবং এ বিষয়ে বিশ্বব্যাপী সচেতনতা বাড়াতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতিসংঘ যৌথ উদ্যোগে এই দিনটি পালন করে আসছে। এর মূল উদ্দেশ্য বিশ্বব্যাপী জলে দিবে মৃত্যুর ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করা। জলবেষ্টিত সুন্দরবনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শিশুদের জলে ডুবে মৃত্যুর মর্মান্তিক ঘটনা রোধ করতে এদিন সাগর ব্লকের সুন্দরবন জনকল্যাণ সংঘ বিদ্যানিকেতনে পালিত হলো ‘বিশ্ব জলে ডুবে যাওয়া প্রতিরোধ দিবস।

​এদিন বিদ্যালয়ের উদ্যোগে একটি বর্ণাঢ্য সচেতনতামূলক শোভাযাত্র ও পোস্টার প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। চাইল্ড ইন নীড ইনস্টিটিউট (সিনি)-র উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের পাশাপাশি উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা, প্রশাসনের আধিকারিকেরা, স্বাস্থ্যকর্মী এবং এলাকার একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
​আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সুন্দরবনের চতুর্দিকে নদী ও খালে ঘেরা এবং পুকুরের সংখ্যাও বেশি রয়েছে। সুন্দরবনে প্রতিনিয়ত শিশুদের প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। তাই শিশু ও সাধারণ মানুষের মধ্যে জল সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে এবং নিরাপদ আচরণে উদ্বুদ্ধ করতেই এই বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক আধিকারিক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এই যৌথ উপস্থিতি সুন্দরবনের গ্রামীণ এলাকার মানুষকে আরও বেশি করে সচেতন করে তুলবে বলেই আশা করা হচ্ছে। 

পাশাপাশি বেশ কিছু সচেতনামূলক পরামর্শ তুলে ধরেন তা হল, শিশু ও তরুণদের সুরক্ষায় জীবন রক্ষাকারী বিভিন্ন পদক্ষেপ নেওয়া। জলাশয়ের আশেপাশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা। প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা কিছু উপায় হিসেবে বলছেন,যেমন- শিশুদের সবসময় বড়দের নজরে রাখা। ছোট বয়স থেকেই সাঁতার শেখানো। পুকুর নদী বা জলাশয়ের চারপাশে ঘিরে রাখা। নৌকায় যাতায়াতের সময় লাইফ জ্যাকেট ব্যবহার করা।  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *