
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক :- রক্ত আনা হয়েছিল নমিতা মাঝির জন্য। আর সেই রক্ত দেওয়া হলো নমিতা বাগদিকে ! সেই রক্ত শরীরে যেতেই শুরু হল একাধিক জটিলতা শুরু হল শরীরে,অবস্থায় অবনতি হল। এমন গুরুতর গাফিলতির অভিযোগ উঠল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সরকারি হাসপাতালে এমন ঘটনায় ক্ষুব্ধ রোগীর আত্মীয় পরিজন। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহল থেকেও।
জানা গেছে, রক্তের দরকার ছিল একজন রোগীনির। তার বদলে আরেক রোগীনিকে দেওয়া হলো সেই রক্ত। ওই রোগীনির পরিজনদের এর অভিযোগ ‘একজনের জন্য আনা রক্ত হয়েছে।। আর সেই রক্ত তাকে দেওয়ার বদলে অন্য রোগীর। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার ।আরো জানা গেছে, পূর্ব বর্ধমান জেলার ভাতারের বলগোনা গ্রামের বাসিন্দা নমিতা মাঝি। তিনি রক্তাল্পতার সমস্যায় ভুগছিলেন। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল বর্ধমান মেডিকেল কলেজের নিউ বিল্ডিং এর তৃতীয় তলায়। চিকিৎসকদের পরামর্শ মত রক্তের প্রয়োজন হলে।তাঁর পরিবারের সদস্যদের দুটি কাগজ দিয়ে ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত আনতে বলা হয়। নমিতা মাঝির ছেলে সঞ্চিত মাঝি অভিযোগ, “রক্ত আনার পর, সেই রক্ত নমিতা মাঝি বদলে নমিতা বাগদি নামে অন্য একজন রোগীনি নমিতা বাগদির শরীরে চালানো হয়। ওই রোগীনির পরিবারের দাবি, হাসপাতালে চরম অবহেলা ফলে এই এমন বিপদজনক ঘটনা ঘটছে”। ভুল রক্ত চালালে অবস্থার অবনতি হলে টনক নড়ে সংশ্লষ্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে সেই রক্ত খুলে নেওয়ায় পাশাপাশি তাঁকে দ্রুত হাসপাতালের আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনার খবর চাউর হতেই বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। তবে এবিষয় হাসপাতাল সুপার তাপস ঘোষ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, “এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি।অভিযোগ এলে খতিয়ে দেখা হবে”।

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯১৫৩০৪৩৩৮০
