
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- বুধবার বেলা ১২টা ৭ মিনিট নাগাদ আচমকাই তারাতলার নির্মীয়মান গোডাউনের ছাদ ভেঙে চাপা পড়েন বহু শ্রমিক। ঘটনার পরই দ্রুত শুরু হয় উদ্ধার কাজ। লোহার বিম কংক্রিটের স্তূপের নিচে চাপা পর শ্রমিকদের উদ্ধারে পুলিশ, দমকল এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা প্রথম থেকে উদ্ধার কাজ চালায়। পরে রাজ্য সরকারের অনুরোধে ভারতীয় সেনা এবং জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী উদ্ধারকাজে হাত লাগায়।
টানা ৭২ ঘন্টা ধরে চলার পর অবশেষে শেষ হলো উদ্ধার কাজ। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী এখন পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখন আটকে নেই বলে জানিয়েছে উদ্ধারকারী দল। ঘটনাস্থল ছেড়ে একের পর এক ফিরে যেতে শুরু করেছে দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনা। তবে এ আপাতত ঘটনাস্থলে মোতায়ন থাকছে বিশাল পুলিশ বাহিনী।
দুর্ঘটনাস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিশ।দুর্ঘটনাস্থলের নমুনা সংগ্রহের জন্য ঘটনাস্থলে যাবে কোলকাতা পুলিশের ফরেন্সিক টিম। তারপরে সেখান থেকে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হবে বলে সুত্রের খবর। ইতিমধ্যে দুর্ঘটনা তদন্ত গঠিত হয়েছে উচ্চ পর্যায় তদন্ত কমিটি। সেই কমিটিতে নেতৃত্বে রয়েছেন যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব রাজেশ কুমার সিনহা। এছাড়াও রয়েছেন কোলকাতা পুরসভা, দমকল, পুলিশ, ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট, পিডব্লিউডি সহ একাধিক দপ্তরের ১১ জন প্রতিনিধি। এই কমিটিকে আগামী সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।
আরো জানা গেছে, পুলিশের অনুরোধে এদিন দুর্ঘটনস্থল পরিদর্শনে যায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় পাঁচজনের একটি দল। এরপর এই টিম আরো একবার ঘটনাস্থলে যাবেন। সবকিছু খতিয়ে দেখার পর রিপোর্ট দেওয়া হবে। অভিজ্ঞ মহল বলছে ঘটনাস্থল থেকে এখনো বেশ পচা গন্ধ বেরোচ্ছে ফলে সেখানে দেহ থাকার প্রবল সম্ভাবনাও রয়েছে।






