
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- ডায়মন্ড হারবার ফলতা সহ গোটা রাজ্যের আকাশে বাতাসে আজ পুজো পুজো গন্ধ। মণ্ডপে মন্ডপে ভীড়, ঠাকুর দর্শনে মন উদগ্রীব। বাবা-মায়ের সঙ্গে বেরোনোর আগে তাই বন্ধু সহপাঠী আর শিক্ষক শিক্ষিকাদের সঙ্গে কোলকাতার প্যান্ডেল ঘুরে প্রতিমা থেকে মণ্ডপ দর্শন করল ফলতা অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খুদে পড়ুয়ারা ।
দুর্গা পুজো ও শারদীয় উপলক্ষে গতকালই আয়োজন করা হয়েছিল ‘আগমনী উৎসব’ সেখানে নাচ, গান, আবৃত্তি আর সঙ্গে আগমনীর গান সঙ্গে দেদার খাওয়ার আয়োজন। উদ্দেশ্য দূর্গা পূজার মাহাত্ম্য এবং ঐতিহ্য বোঝানো। পাঠ্য বইয়ের বাইরে জীবনের পাঠও যে নেওয়া দরকার। ছোটদের তা শেখাতেই এই উদ্যোগ। এ বিষয়ে স্কুলের। ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। তিলক নস্কর বাংলার চাণক্য নিউজকে জানান, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬;শারদোৎসবের আনন্দকে আরও সুন্দর ও স্মরণীয় করে তুলতে আজ ফলতা অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে এক আনন্দময় পূজা পরিক্রমার আয়োজন করা হয়।শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সুশৃঙ্খল তত্ত্বাবধানে লাক্সারি বাসে করে ছাত্রছাত্রীরা কোলকাতার বেহালা চৌরাস্তা ও সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন আকর্ষণীয় দুর্গাপূজা মণ্ডপগুলি যেমন- নবলীলা পাড়া ইউনাইটেড ক্লাব,বেহালা ক্লাব,
বেহালা ফ্রেন্ডস,বেহালা নতুন দল,বেহালা ২৯ পল্লী,বেহালা নতুন সংঘ,বেহালা দেবদারু ফটক ক্লাব,বেহালা শ্রী সংঘ,বরিশা জনকল্যাণ সংঘ,বরিশা ক্লাব,বেহালা প্রগতি সংঘ, বেহালা প্লেয়ার্স কর্নার ইত্যাদি দর্শন করানো হয়।
সকালের টিফিনে আলুর দাম ও মুড়ি খাওয়ানো হয়।মাঝে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রীকে একটি করে চকলেট কেক দেওয়া হয়।
দুপুরের আহারে ভাত, ডাল, আলুভাজা, পটল-চিংড়ির তরকারি ও ডিমের ঝোল খাওয়ানো হয়।সারাদিনের এই আনন্দময় আয়োজনে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে উৎসাহ ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের স্নেহপূর্ণ তত্ত্বাবধানে এই পূজা পরিক্রমা শিশুদের কাছে এক স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে’।
স্কুলের এধরনের উদ্যোগে খুশি অভিভাবকরাও।তাঁর বলছেন,সারা বছরই স্কুলে প্রথাগত শিক্ষার বাইরে বেরিয়ে এসে শিশুদের নৈতিকতা এবং বাস্তব ক্রিয়াকলাপের মাধ্যমে পাঠদান করে। শিক্ষা, আনন্দ, সংস্কৃতি ও উৎসবের অপূর্ব মেলবন্ধনে বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।

ADVT

ADVT


ADVT

