রাধারানির জন্মতিথিতে মায়াপুরে অগণিত ভক্ত সমাগম

রাজ্য

রমেশ রায়,বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- ইসকনের প্রধান কেন্দ্র মায়াপুরসহ বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন শাখায় ৩১ আগস্ট রবিবার মহাসমারোহে পালিত হলো  রাধারানীর  ৫২৫২তম আবির্ভাব তিথি তথা রাধাষ্টমী উৎসব। এদিন দেশ,বিদেশে আসা লক্ষাধিক ভক্তের সমারোহে সরগরম হয়ে উঠেছিল মায়াপুরের ইসকন মন্দির চত্বর। এদিন সকালে যথাযথ নিয়ম রীতি মেনে দুধ, মধু, ঘি, ফুল সহ বিভিন্ন সামগ্রী সহযোগে অবগাহন তথা অভিষেক করানো হয় রাধারানীর ধাতব মুর্তিকে। দীর্ঘ সময় ধরে চলে এই আচার অনুষ্ঠান, যার সাক্ষী থাকলেন অগনিত  ভক্তবৃন্দ।

এদিনের এই সমারোহকে কেন্দ্র করে ইসকন ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যত নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল মন্দির চত্তর। প্রশাসনের কয়েকজন উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও এদিন উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত এ ব্যাপারে মায়াপুর ইসকনের মুখ্য জনসংযোগ অধিকারিক রসিক গৌরাঙ্গ দাস  সংবাদমাধ্যমকে জানান, “ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে আজ থেকে ৫২৫২ বছর আগে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মের ১৫ দিন পরে দুঃখ জ্বালায় জর্জরিত জীবকে অমৃতময় পথের সন্ধান দিতে রাভেল  নামক গ্রামে বৃষভানু  রাজার গৃহে মধ্যাহ্নে কীর্তিদা দেবীর গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছিলেন  শ্রীমতি রাধারানী। পাশাপাশি  তিনি আরও বলেন, রাধা এবং কৃষ্ণ এক ও অভিন্ন। যেমন দুধ ও তার ধবলত্ব, শক্তি এবং শক্তিমান অভেদ করা যায় না তেমনি রাধা – কৃষ্ণও  অভেদ্য,এক আত্মা ও দুই তনুধারী। রাধা- কৃষ্ণের লীলা আজ বিশুদ্ধ প্রেমের প্রতীক হয়ে উঠেছে।  দ্বাপর যুগে শ্রীকৃষ্ণ রাধারানীকে নিয়ে অবতীর্ণ হয়েছিলেন যে বিশুদ্ধ প্রেমের বার্তা নিয়ে তার কনামাত্র  মানবকুল গ্রহণ করতে সক্ষম হলে ত্রিলোক ধন্য হবে। বর্তমান সংকটে নর নারীর মিলিত শক্তিতে নবজাগরণ ঘটুক মানবজীবনে। রাধারানীর জীবন- আদর্শ ও শিক্ষার প্রসার ঘটুক সমাজজীবনে। একমাত্র মাতৃশক্তির  উন্মেষই  দিতে পারে আলোর সন্ধান”।
এদিন সারাদিনব্যাপী অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল  রাধারানীর জন্মতিথি উপলক্ষে কেক কাটা পাশাপাশি ছিল নয়নাভিরাম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও আলোচনা ।  এই মহোৎসব  উপলক্ষে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে  অসংখ্য ভক্তপ্রান মানুষজন এই উৎসবে যোগ দেন। এই পরিবেশ  প্রশ্নাতীতভাবে তাদের পবিত্র ভাবধারায় উন্নীত করে তোলে। 

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯১৫৩০৪৩৩৮০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *