গঙ্গাসাগর মেলার পর আর ও একবার মাঘী স্নানে সেজে উঠেছে সাগর‌,পুণ্যার্থীদের সুবিধায় প্রশাসনের একাধিক ব্যবস্থা

রাজ্য

রমেশ রায়,বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- গঙ্গাসাগর সঙ্গমে মাঘী পূর্ণিমায় লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী স্নান সারছেন।আর পূণ্যার্থীদের কথা ভেবে কাকদ্বীপ মহকুমা প্রাশাসন সবরকম বন্দোবস্ত করেছে। নিরাপত্তায় অতিরি্ক্ত জোর দিতে বাড়ানো হয়েছে পুলিশের সংখ্যা।সকাল থেকেই  স্নানের পর কপিলমুনি মন্দিরে পুজো দেওয়ার লম্বা লাইন পড়েছে। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুণ্যার্থীদের জন্য শৌচালয়, যাত্রীনিবাসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সুন্দরবন পুলিশ জেলার পক্ষ থেকে অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

মকর সংক্রান্তির পর মাঘী পূর্ণিমায় সবচেয়ে বেশী পুণ্যার্থীর সমাগম হয় সাগরে। গত কয়েক বছর এক লক্ষেরও বেশী পুণ্যার্থীর সমাগম হয়েছে। এবারের ভিড় আরও বাড়বে বলে ধারণা প্রশাসনের।এবার মাঘী পূর্ণিমার সময় তিথি শুরু হয়েছে ১লা ফেব্রুয়ারী রবিবার ভোর ৫টা৫৫মিনিটে এবং শেষ হবে ২রা ফেব্রুয়ারী সোমবার রাত ৩টে৩৮মিনিট পর্যন্ত।ইতিমধ্যে দেশের বিভিন্ন রাজ্যের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলার ধর্মপ্রান কয়েক লক্ষ মানুষজন পুণ্যলাভের আশায় সাগরে ভীড় জমিয়েছে।

এ বিষয় নিয়ে জিবিডিএর চেয়ারম্যান শ্রীমন্ত মালি জানিয়েছেন, “এবছর এখনও পর্যন্ত প্রায়২০ লক্ষের উপর পূণ্যার্থী এসেছেন। পূণ্যার্থীর সংখ্যা আরও বাড়তে পারে”‌।
তিনি আরও বলেন,এবার অন্যান্য বছরের তুলনায় পুণ্যার্থীর ভিড় অনেক বেশি। সেকথা মাথায় রেখেই এবার আলো, টয়লেট, বার্জ ও ভেসেল পরিষেবা বাড়ানো হয়েছে। মাঘী পূর্ণিমার স্নান উপলক্ষে এবছর কচুবেড়িয়া, গঙ্গাসাগর ও বেনুবনে টয়লেটের সংখ্যা বাড়িয়ে ৭০০ টি করা হয়েছে। গতবার এই সংখ্যা ছিল ৩৫০-এর কিছু বেশি। এছাড়াও গঙ্গাসাগরে যাতায়াতের জন্য মুড়িগঙ্গা নদী পারাপার করতে ১২ টি ভেসেল ও দু’টি বার্জ রয়েছে।
কচুবেড়িয়া থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত যাতায়াতের জন্য ৪০ টি বেসরকারি বাসের বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সমস্ত স্নানের ঘাট, সমুদ্র সৈকতের ২ নম্বর রাস্তা ও কে-ওয়ান বাসস্ট্যান্ডে হাইমাস্ট লাইটের ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে বাফার জোনও। সমুদ্রতট পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে রাখা হয়েছে সাগর প্রহরীদেরও।
১, ৪ ও ৫ নম্বর স্নানঘাটে পুণ্যার্থীদের সুরক্ষায় ২০০-এরও বেশি সিভিল ডিফেন্স কর্মী ও পুলিশকর্মীরা রয়েছেন। স্নানের ঘাটগুলিতে, কপিলমুনির মন্দিরের সামনে, কে-ওয়ান বাসস্ট্যান্ড ও আরও কিছু এলাকায় নজরদারিতে রাখা হয়েছে  সিসি ক্যামেরা। মোট ১০০০ পুলিশকর্মীকে গঙ্গাসাগর, কচুবেড়িয়া ও বেনুবন এলাকায় তীর্থযাত্রীদের নিরাপত্তায় রাখা হয়েছে। এছাড়াও রয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। সমুদ্রসৈকত ও কপিলমুনির মন্দির সংলগ্ন এলাকা জুড়ে চলছে কড়া পুলিশি নজরদারি। 

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯১৫৩০৪৩৩৮০

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *