
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:-দীর্ঘ প্রায় ৪বছর পর অবশেষে পুলিশের জলে ধরা পরলো পুরনো খুনের মামলার মূল অভিযুক্ত। দক্ষিণ ২৪ পরগনা কুলপি ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সংখ্যালঘু সেল এর সভাপতি আব্দুর রহিম মোল্লা কে গ্রেফতার করল কুলপি থানার পুলিশ।
একসময়ের শাসকদলের প্রভাবশালী প্রথম সারির নেতা গ্রেফতারের ঘটনায় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ধৃতকে আজ ডায়মন্ড হারবার এ সিজিএম আদালতে তোলা হবে
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,গতকাল সন্ধ্যায় কুলপি ব্লকের তৃণমূলের দাপুটে নেতা কুলপি ব্লক তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি, বর্তমান দক্ষিণ গাজীপুর তৃণমূল গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের স্বামী,প্রাক্তন প্রধান রহিম মোল্লাকে গ্রেফতার করেছিল কুলপি থানার পুলিশ।
অভিযোগ ০৬.০৪.২০২২সালের একটি খুনের ঘটনায় রহিম মোল্লার নাম জড়িত ছিল, কুলপি থানায়.। শাসকদলের দাপুটে নেতা হওয়ার সুবাদে মথুরাপুর লোকসভার এমপির একেবারে ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে পুলিশ তাঁর টিকি ছুইতে পারত না বলে স্থানীয়দের দাবী। রাজনৈতিক পালা বদলের সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
এই নেতা গ্রেপ্তারের ঘটনা কেন? ২০২২ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কোন কুলপির গাজীপুরের গ্রামে জমি সংক্রান্ত দীর্ঘদিনের বিবাদ কে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায় আর সেই বিবাদকে কেন্দ্র করেই নৃশংসভাবে খুন হন স্থানীয় বাসিন্দা করিম উদ্দিন পাইক। আর এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল। করিমুদ্দিন পাইক হত্যাকাণ্ডের পর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলা তদন্তে পুলিশের খাতায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে উঠে আসে প্রভাবশালী তৃণমূলের নেতা আব্দুল রহিম মোল্লা। বহুদিন ধরে এই মামলা তদন্ত চলার পর গতকাল দিনভর তল্লাশি চালিয়ে সন্ধ্যা নাগাদ গাজীপুর এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় তৃণমূলের এই প্রভাবশালী নেতাকে। কুলপি থানার চত্বরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়।






