
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- ফলতার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীর খানকে গত কাল নেপাল সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশ ও এসটি এফ। ধৃতকে আজ ডায়মণ্ডহারবার এসিজেএম আদালতে পেশ করা হয়।তদন্তকারীদের পক্ষ থেকে ৯দিনের পুলিশ হেপাজতের জন্য আবেদন জানানো হলেও বিচারক ৫দিনের পুলিশ হেপাজত মঞ্জুর করেন।যদিও এদিন অভিযুক্তর পক্ষে ডায়মণ্ডহারবার ফৌজদারি আদালতের বার অ্যাসোশিয়েশের কোন আইনজীবি সওয়াল করতে রাজি না হওয়ায় শেষমেশ অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর খান এর আবেদনের ভিত্তিতে লিগাল এডসের এক আইনজীবি তার হয়ে সওয়াল করেন।
সোমবার নেপাল সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয় ফলতার প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গীর খান কে।এদিন ধৃতকে প্রথমে কোলকাতায় নিয়ে আসা হয়।পরে রাতে তাঁকে ফলতা থানায় নিয়ে আসে।আজ মঙ্গলবার সকাল ৭টা নগাদ ধৃত জাহাঙ্গীর খানকে ফলতা থানা থেকে বের করে সরকারী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে শারীরিক পরীক্ষার পরই ডায়মণ্ডহারবার এসিজেএম আদালতে পেশ করা হয়।এদিন সকাল থেকে আদালত চত্তরে প্রচুর পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।আইনজীবি সূত্রে জানা গেছে, ২০২১সালে ভোট পরবর্তী হিংসা একটি মামলায় জাহাঙ্গীরকে ডায়মণ্ডহারবার এসিজেএম আদালতে পেশ করে ফলতা থানার পুলিশ।যদিও এদিন কোন আইনজীবি জাহাঙ্গীরের হয়ে আদালতে সওয়াল করতে না চাওয়ায় শেষে সরকারি লিগাল এডসের এক আইনজীবি তাঁর হয়ে সওয়াল করেন।তবে অভিযুক্তের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারক।সেই সঙ্গে তদন্তকারীদের তদন্তের স্বার্থে ৯দিনের পুলিশ হেপাজতের আবেদনের ভিত্তিতে উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারক ৫দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন।
তদন্তকারী সূত্রের খবর, ৫দিনের পুলিশ হেপাজতের সময়ে অভিযুক্তকে যেমন তথ্য জানতে জিজ্ঞাসবাদ চালাবে অভিজ্ঞ তদন্তকারীরা, সেই সঙ্গে অভিযোগের উৎস,আর্থিক লেনদেন এমন কি সহযোগীদের কি ভূমিকা ছিল সে বিষয় গুলি খতিয়ে দেখবেন তদন্তকারীরা।

ADVT





