
রমেশ রায়(কাকদ্বীপ)বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- প্রতিবছর ১৬ই সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ভাবে পালিত একটি সচেতনতা দিবস। ওজোন স্তরের ক্ষয় ও এর ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী গণসচেতনতা তৈরিতে দিবসটি পালন করা হয়।১৯৮৭ সালের ১৬সেপ্টেম্বর বায়ুমন্ডলের ওজনস্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী দ্রব্য গুলোর ব্যবহার নিষিদ্ধ বা সীমিত করার জন্য ভিয়েনা কনভেনশনের আওতায় ওজোনস্তর ধ্বংসকারী পদার্থের ওপর মান্টি্রল প্রোটকল গৃহীত হয়। এই দিনের স্মরণে ১৯৯৪সালে,জাতি সংঘের সাধারণ পরিষদ ১৬ই সেপ্টেম্বরকে আন্তর্জাতিক ওজোন স্তর সুরক্ষা দিবস হিসাবে ঘোষণা করে। আর এই বিশেষ দিনটিকে সামনে রেখে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার পবিত্র তীর্থক্ষেত্র গঙ্গাসাগরে এক বিশেষ ও প্রশংসনীয় পরিবেশ সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালিত হলো।গত বুধবার এই আয়োজনের মধ্য দিয়ে পরিবেশ সংরক্ষণের এক জোরালো বার্তা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। এই বিশেষ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ধারাবাহিক কর্মসূচীর অঙ্গ হিসাবে ঐতিহাসিক কপিলমুনির আশ্রমের সামনে এবং আশ্রম চত্বরের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক উৎসাহের সঙ্গে একাধিক চারা গাছ রোপণ করা হয়। গাছ লাগানোর পাশাপাশি সমগ্র আশ্রম চত্বর এলাকা জুড়ে একটি বিশেষ সাফাই অভিযানও চালানো হয়।
তীর্থযাত্রী ও পর্যটকদের ভিড়ে যাতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখেই এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালিত হয়। এর পাশাপাশি গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানা সংলগ্ন এলাকাতেও বেশ কিছু নতুন চারা গাছ লাগানো হয়।পরিবেশ রক্ষার এই মহৎ উদ্যোগে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানার ওসি পার্থ সরকার সহ ব্লক প্রশাসনের একাধিক শীর্ষ আধিকারিক, পুলিশ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্তা ব্যক্তি এবং স্থানীয় বিশিষ্টজনেরা। নিজ হাতে চারা গাছ রোপণ করে তাঁরা উপস্থিত সাধারণ মানুষকে সবুজায়নের গুরুত্ব সম্পর্কে বোঝান। গঙ্গাসাগর কোস্টাল থানা এবং ব্লক প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে এই জনমুখী কর্মসূচিটি রূপায়িত হয়েছে।আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্রমবর্ধমান দূষণ রোধ এবং ওজোন স্তর সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির জন্যই এই অভিনব উদ্যোগ। স্থানীয় প্রশাসন ও বিশিষ্টজনেদের এই যৌথ প্রয়াসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার সাধারণ মানুষ ও দূরদূরান্ত থেকে আগত পুণ্যার্থীরা।সাগরের পবিত্র মাটি থেকে পরিবেশ রক্ষার এই বার্তা আগামী দিনে সারা রাজ্যে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন উদ্যোক্তারা।

ADVT

ADVT


ADVT

