
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- সোনারপুর দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী রুপা গঙ্গোপাধ্যায়ের মনোনয়ন ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ল বারুইপুরে। এই ঘটনায় মঙ্গলবার বারুইপুরে তৃণমূল ও বিজেপির মনোনয়ন জমা দেওয়ার মিছিলের মুখোমুখি পড়ে যায়। এর ফলে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ।দুপক্ষের স্লোগান আর আল্টা স্লোগানের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। রুপা গঙ্গোপাধ্যায় কে দেখিয়ে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিতে থাকেন। অপরদিকে বিজেপি সমর্থকরা ‘জয় শ্রীরাম’। বিজেপি প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের অভিযোগ, ‘তার মিছিল আটকানোর চেষ্টা করেছে তৃণমূল কিন্তু এই কাজে তাঁরা সফল হয়নি’।এদিকে এই উতপ্ত পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশ প্রশাসন কে।
৭ই এপ্রিল মঙ্গলবার মিছিল করে দক্ষিণ২৪পরগণার বারইপুর মহকুমা শাসকের দপ্তরে যাচ্ছিলেন রুপা গঙ্গোপাধ্যায়। আর সে সময় উল্টো দিক থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার কুলতলি বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গণেশ মণ্ডলের সমর্থন একটি মিছিল আসছিল। আর দুটো মিছিলই যখন মুখোমুখি হয়। সে সময় দুই দলের কর্মী সমর্থকরা একই অপরকে দেখে স্লোগান দিতে থাকে। ‘জয় শ্রীরাম’ আর ‘জয় বাংলা’ স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। তবে বেশ কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতির স্বাভাবিক হয়। বারইপুর মহকুমা শাসকের অফিসে সময় মত মনোনয়ন জমা দেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়।
এদিন এই ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপি নেত্রী রূপা গঙ্গোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “তৃণমূল জানে আমাদের মনোনয়ন আছে। ইচ্ছে করে প্রার্থীদের আটকানোর জন্য জমায়েত করা হয়েছে। কিছুক্ষণ উত্তেজনা তৈরি করে চলে গেল। মিছিল আটকানোর চেষ্টা করছিল তৃণমূল। কিন্তু বিশেষ কিছু করতে পারল না”। তবে বিজেপির রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের তোলা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন কুলতলী বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী গনেশ চন্দ্র মণ্ডল। তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “দুটো মিছিল মুখোমুখি হয়েছিল কিন্তু কোন গন্ডগোল হয়নি। দুটি রাজনৈতিক দলের মিছিল মুখোমুখি হলে যা হয় সেটাই হয়েছে। গণতান্ত্রিক দেশের সবাই নমিনেশন দেবে এটাই স্বাভাবিক”।

ADVT



ADVT


