
তোতন দাস,বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- বাজার থেকে জিনিস কিনে অথবা বাড়ি, জমি ,ফ্ল্যাট কিনে প্রতারিত হলে। আবার চিকিৎসায় গাফিলতি বা যে কোনো সরকারি বেসরকারি ক্ষেত্রে প্রতারিত হলে উপভোক্তারা সুরক্ষা পরিষেবা পেতে আগে ছুটতে হতো কোলকাতা আলিপুরের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কার্যালয়ে পরে আঞ্চলিক কার্যালয় বারুইপুরে। তবে এবার ডায়মন্ড হারবার মিলবে সুবিধা ওই একই সুবিধা। রাজ্যের উপভোক্তা বিষয়ক ন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন অধিকার ডায়মন্ড হারবার আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন হলো সোমবার ডায়মন্ড হারবার পৌরসভার অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে।উপভোক্তা বিষয়ক কার্যালয় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র, ওই দপ্তরের রাষ্ট্রমন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাত, ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক পান্নালাল হালদার, ডায়মন্ড হারবার পৌরসভার চেয়ারম্যান প্রণব দাস, ভাইস চেয়ারম্যান রাজর্ষি দাস, পৌরসভার ১৬টি ওয়ার্ডের কাউন্সিলরা,ডায়মন্ড হারবার ১ নম্বর ব্লক পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গৌতম অধিকারী,সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকরা ।
এতদিন বিভাগের পরিষেবা পেতে হলে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা এলাকার উপভোক্তাদের দক্ষিণ ২৪ পরগনা বারুইপুরের আঞ্চলিক অফিসে ছুটতে হতো।তবে এখন থেকে ডায়মন্ড হারবার মহকুমার উপভোক্তা বিষয়ক ও ন্যায্য বাণিজ্য অনুশীলন অধিকারের অভিযোগ সংক্রান্ত বিষয়ে যাবতীয় পরিষেবা ডায়মন্ড হারবারের আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে পাবেন ।প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ মানুষ যে কোনো কেনাকাটায় প্রতারিত হলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে আঞ্চলিক কার্যালয়ে অভিযোগ জানাতে পারবেন। সরকারি বা বেসরকারী। ক্ষেত্রে পরিষেবার নেওয়ার জন্য। কিভাবে সচেতন থাকবেন সে বিষয়ে অবগত হতে পারবেন ক্রেতারা।
ডায়মন্ড হারবার মহকুমার সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আঞ্চলিক কার্যালয় উদ্বোধন করে উপভোক্তা বিষয়ক দপ্তরের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্র বলেন। ‘এর আগে জেলার বাইরে ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরটা ছিল না। সেখানে ব্যাপক বিস্তৃতির কারণে মানুষের কাছে আরো বেশি করে পৌঁছবার প্রয়োজনে মহকুমা ভিত্তিক বা মহকুমা আছে সেগুলোতে আমাদের এই ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তর তুলে দিতে চেয়েছি মানুষ জন্য ‘। সেই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘এই দপ্তরের কর্মপ্রণালী আছে। যে মানুষের জন্য যে বার্তা থাকে, তা জেলা ভিত্তিক ছিল। কাজ কর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। জেলা পর্যায়ে সেটাকে আমরা মহকুমায় নামিয়ে আনতে একটা চেষ্টা করছি’।
সেই সাথে তিনি বলেন, সাইবার প্রতারণা- অনলাইন কেনাকাটায় নানা সমস্যার মধ্যে পড়ছেন উপভোক্তারা । সেক্ষেত্রেও পদক্ষেপ নিতে সহায়তা দেওয়া হবে উপভোক্তাদের ।তিনি বললেন, ‘সাধারণ নাগরিক মন্ত্রী আমলা শিল্পপতি আমরা সকলেই উপভোক্তা। সবাইকে বাজার থেকে প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে হয়। ফলে যে কেউ প্রতারণার শিকার হতে পারেন। আমাদের দপ্তর সবার ক্ষেত্রে সমান দায়িত্ব পালনে অঙ্গীকারবদ্ধ’। পাশাপাশি তিনি জানান, একটি প্রস্তাব ডায়মণ্ডহারবারের বিধায়ক এবং পৌরসভার পক্ষ থেকে পেয়েছি। যে, কমিশনের অফিস অর্থাৎ যেখানে কোর্ট বসবে। সেই কমিশনের অফিস ডায়মন্ড হারবারে যাতে করা যায় তাহলে খুব ভালো হয়। কারন আমাদের জেলা পর্যায়ে যে অফিস আছে আলিপুরে। সেখানে যেতে এখানকার মানুষের অনেক দূরত্ব হয়ে যায়। কষ্ট হয় অসুবিধা হয়। যদি এখানে একটা ব্রাঞ্চ করতে পারি তাহলে এখানকার মানুষের খুব। সুবিধা হবে। আশপাশে যে ব্রাঞ্চগুলি আছে তারা ও সুযোগ পাবে। তবে ‘আমি এটুকু বলে যাচ্ছি যে, আমাদের দপ্তরের যে সমস্ত আধিকারিকরা আছেন তাঁদের সঙ্গে কথা বলে নেব। যত তাড়াতাড়ি হয় এই জায়গাতে আমরা কোর্টটা খোলার একটা ব্যবস্থা নিয়ে আমরা সিদ্ধান্তে নেব, পরবর্তীকালে আলোচনার মাধ্যমে’।

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯২৫৩০৪৩৩৮০
