
প্রতীকী ছবি—-
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- রাজ্যে নিপা ভাইরাস সংক্রমণের আবহে অবশেষে মিলল কিছুটা স্বস্তির খবর। আক্রান্ত নাচের ২নার্সের শরীরের সংক্রমের উৎস খুঁজতে বাঁদুর ধরে ধরে যে সমীক্ষা শুরু হয়েছিল তার প্রাথমিক রিপোর্ট ইতিবাচক ইঙ্গিত মিলেছে। জানা গেছে, উত্তর২৪পরগণার মধ্যমগ্রাম থেকে ধরা ৯টি বাদুড়ের আরটিফিসিয়ার টেস্ট রিপোর্টিং নেগেটিভ এসেছে।
পুনের ন্যাচারাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজি এবং বন মন্ত্রকের প্রতিনিধি দল যৌথভাবে মধ্যমগ্রামের কুবেরপুর এলাকা থেকে ৯টি বাদুর সংগ্রহ করেছিল। তাদের লালা ও শরীরের অন্যান্য নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গেছে, কারো শরীরে বর্তমানে নিপা ভাইরাসের কোন অস্তিত্ব নেই। তবে একটি বাদুরের রক্তে অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে, বিশেষজ্ঞদের মতে এর অর্থ হল ওই বাদুড়টি অতীতে কোন ভাইরাসের সংস্পর্শ এসেছিল। যদিও বর্তমানে সময়ে এসে সংক্রমণ ছড়াতে অক্ষম। সংক্রমনের উৎস নিশ্চিত করতে সমীক্ষা এখনো জারি থাকবে।
বারাসাত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তরুণ নার্সের শারীরিক অবস্থা উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।। আরো জানা গেছে, আরেকটি আরটিপিসিয়ার টেস্ট নেগেটিভ পেলেই তাকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে। অন্যদিকে অপর এক আক্রান্ত নার্সের অবস্থা এখনো কিছুটা সঙ্কটজনক এবং তিনি ভেন্টিলেশনের সাপোর্টে রয়েছেন। যদিও স্বস্তির বিষয় হলো ওই দুই নার্সের সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের নমুনা পরীক্ষা করে রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে।
এদিকে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও কোন ভাবে ঢিলেমি দিতে নারাজ রাজ্যের রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। সোমবার ইনস্টিটিউট অব হেলথ এন্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ারের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ও গবেষকদের নিয়ে একটি বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেখানে ভাইরোলজি সিদ্ধার্থ জোয়ারদার জানান, এই ঘটনা অতিমারি প্রতিরোধের আগাম প্রস্তুতির অ্যাসিড টেস্ট। জাতীয় স্তরের আদলে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর গঠন করেছে ওয়ান হেলথ কমিটি। নিপা আক্রান্তদের সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং নির্দিষ্ট এন্টিভাইরাল ওষুধের সঠিক মাত্রা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন ডা: অনিতা নন্দী ও ডা: সমরেনাথ হালদার মতো বিশেষজ্ঞরা।

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯১৫৩০৪৩৩৮০
