
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- উত্তর চব্বিশ পরগনার মধ্যমগ্রাম এফসিআই গোডাউন থেকে ৯টি ট্রাক গম বাংলাদেশে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। খাদ্য দপ্তর থেকে সেই ট্রাক আটকে দেওয়া হয়। খবর পেয়ে শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া । তিনি সমগ্র বিষয়টি খতিয়ে দেখেন। জানা গেছে ৫৩০০ কুইন্টাল গম গত মাসের হিসাব অনুযায়ী ৫২০০কুইন্ট্যাল বেরিয়ে যাওয়ার কথা। ১০০ কুইন্টাল গোডাউনে থাকার কথা। এই অবস্থায় খাদ্যদপ্তরের তরফ থেকে শুক্রবার এনকোয়ারী ডেট দিয়েছিল।
বৃহস্পতি রাতের অন্ধকারে ৯৬০ কুইন্টাল গম পাচার হচ্ছিল। যার ফলে ইনকোয়ারিতে এলে ১০০ কুইন্টাল গম দেখা যায়। এক্ষেত্রে প্রশ্ন হচ্ছে এই গম কোথা থেকে এলো? ডেলিভারি না করে নিজেরাই কেন রেখেছিল? এরপরেও দুটি ট্রাক আইসিডিএস এর নামে বেরিয়ে গিয়ে গেছে। যেটা মধ্যমগ্রাম থানার আইসিডিএস এর নামে চাল ও তেল ছেড়ে দিয়েছেন বলে মন্ত্রী ধমক দিয়ে ওই ট্রাক ফেরত নিয়ে আসার নির্দেশ দেন। এদিন খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, ‘ওই এফসিআই গোডাউনে ডোমেস্টিক রান্নার গ্যাসের পাশাপাশি কমার্শিয়াল রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার মজুদ করা হয়েছে। রেশনের পাশাপাশি ওই গুদামের দায়িত্বে যিনি আইসিডিএসআইকে চাল এবং অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করে থাকেন। বিগত খাদ্য মন্ত্রী এবং তৃণমূলের একাধিক নেতার ঘনিষ্ঠ সে। কোন বেআইনি কাজ মেনে নেওয়া হবে না। ওই গোডাউন আপাতত সিল করে দেওয়া হচ্ছে। তদন্ত হবে, আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গম পাচার করা হচ্ছিল বলে যে ৯টি ট্রাকে বাংলাদেশের জন্য সেই ট্রাকগুলো তিনি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। যে গমের বস্তা গুলো রেশনে না পাঠিয়ে পাচার করা হচ্ছিল, সেই দোকানগুলিতে কোথায় কোথায় গমের বস্তার ঘাটতি রয়েছে পাঠানোর ক্ষেত্রে তা দেখে সেখানে পাঠানো হবে। আইনের উর্ধ্বে কেউ নয়। যারা যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে নির্দেশ দেন খাদ্যমন্ত্রী।






