
তোতন দাস, বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:– সামাজিক মাধ্যমে আলাপ। নিজেকে নৃত্য প্রশিক্ষক বলে পরিচয় দিয়ে ওই নাবালিকার সঙ্গে বন্ধুত্ব পাতিয়েছিল। বিভিন্ন জায়গায় নাচের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল । কিশোরী মন তাতেই রাজি হয়ে গিয়েছিল। ওই নাবালিকা ঘুণাক্ষরেও টের পাইনি যে সে পাচারের শিকার হবে। হ্যাঁ, এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার উস্তিতে । ওই নাবালিকার পরিবারের তরফে অপহরণ এর অভিযোগ পেয়েই পুলিশ বিশেষ টিম গঠন করে এক সপ্তাহের মধ্যে বিহারের জেহানাবাদ থেকে অপহৃত ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করে। যদি এই ঘটনায় তদন্ত বর্তমানে চলছে।
জানা গেছে,সম্প্রতি দক্ষিণ ২৪ পরগনা উস্তি থানায় এলাকায় ১২ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রী কে অপহরনের অভিযোগ ওঠে।মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে শেষমেষ পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন ওই পরিবার ।এরপরই ডায়মন্ড হারবার জেলা পুলিশ দ্রুত তদন্ত শুরু করেন। প্রায় এক সপ্তাহের মধ্যেই বিহারের জেহানাবাদে রয়েছে ওই নাবালিকা। ।এমন গোপন ডেরার খবর পাওয়ার পরই ওই এলাকার বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায় ডায়মণ্ডহারবার জেলাপুলিশের বিশেষ টিম। উদ্ধার করা হয় ওই নাবালিকাকে। পরে উস্তির ওই নাবালিকাকে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেয় পুলিশ ।
এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে এবিষয় ডায়মন্ড হারবার পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (জোনাল) মিতুন কুমার দে জানান, উস্তি থানা এলাকার ওই নাবালিকা সামাজমাধ্যমে এক প্রতারকের পাল্লায় পড়ে।সমাজমাধ্যমে তার প্রফাইলে নিজেকে নৃত্যপ্রশিক্ষক বলে পরিচয় রেখে ছিলেন ওই যুবক।বিভিন্ন বেসরকারি চ্যানেলে নাচের প্রতিযোগিতায় সুযোগ করিয়ে দেওয়ার মিথ্যা প্রলোভন দিয়ে ওই নাবালিকাকে অপহরণ করে ওই যুবক।ওই নাবালিকার পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নামে পুলিশ।এরপর বিহারের জেহানাবাদের কাকো পুলিশ স্টেশন এলাকা থেকে ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়।ওই নাবালিকা সুস্থ আছে।তাঁকে পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।তবে এই ঘটনায় তদন্ত বর্তমান প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।এই ঘটনায় যারা যুক্ত আছে তাদের সকলকেই ধরা হবে।

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯১৫৩০৪৩৩৮০
