
তোতন দাশ,বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- দক্ষিণ ২৪ পরগনার ১৪৪ ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের পুননির্বাচনে কার্যত একতরফা জয় তুলে নিল বিজেপি ।এই কেন্দ্রের প্রার্থী বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পা ন্ডা। বিপুল ভোটেল হোটেলের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত ফল অনুযায়ী। তিনি এক লক্ষ নয় হাজার একুশ ভোটের ব্যবধানে জিতেছেন। আর এই ফল। একেবারে বিকেলের দিকে। ঘোষণা হতে বিজিবি শিবিরে ব্যাপক উচ্ছ্বাস উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়।
ফলাফলের ক্ষেত্রে দেখা গেছে, বিজয়ী প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা পেয়েছেন ১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৬৬৬ ভোট। দ্বিতীয় স্থানে থাকা সিপিএমের প্রার্থী শম্ভুনাথ কুর্মী পেয়েছেন ৪০ হাজার ৬৪৫ ভোট। অন্যদিকে কংগ্রেসের প্রার্থী আব্দুর রাজ্জাক মোল্লা পেয়েছেন ১০ হাজার ৮৪ ভোট। কার্যত ও চতুর্থ স্থানে চলে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান মাত্র ৭হাজার ৭৮৩ ভোট পেয়েছেন। তবে এই ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতা বিধানসভায় বিজেপি এই জয় আগামী দিনে অন্য কেন্দ্র গুলির উপরও প্রভাব পড়বে। ভোটের গণনার পর এদিন মহিলারা রাস্তায় নেমে এসে আবির খেলেন ।
প্রসঙ্গত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেন্দ্রে তৃণমূল জয় পেয়েছিল। কিন্তু এবারের পুননির্বাচনের ছবিটা একেবারেই বদলে গেল। বিজেপির দাবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং নেতৃত্বে এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নমুখী ভাবনার উপরে আস্থা রেখে ভরসা রেখেই মানুষ এই জয় দিয়েছে।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিজেপির জয়ী প্রার্থী দেবাংশু পান্ডা বলেন, “ফলতাবাসীকে অভিনন্দন।এজয় ফলতাবাসীর জয়।এজয় হাসিম নগরের মা বোনেদের জয়।যাঁরা রাস্তায় নেমে ছিলেন যেভাবে প্রতিবাদ করেছিলেন সবাইয়ের জয়।রাজ্যের বিজেপির সভাপতি শ্রমিক ভট্টাচার্য্য্য,মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, দুদিন এসে মিছিল করেছেন.শোভাযাত্রা করেছেন,সেই সঙ্গে রাজ্যে বিজেপির সাধারন সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী,রাজ্যে বিজেপির সাধারন সম্পাদক জোর্তিময় সিং মাহাতো এখানে পড়ে থেকে নির্বাচন পরিচালনা করেছেন,সেই সঙ্গে ৫জন বিধায়ককে নিয়েছেন।এছাড়াও জেলার সভানেত্রী সোমা ঘোষ।সহ আমার বিজেপি কর্মীরা যেভাবে ফলতাকে সবাই মিলে জেতানোর জন্য এই গণতন্ত্র ধংসকারী জেহাদিদের থেকে মুক্তি পেতে যেভাবে পরিশ্রম করেছেন এবং সাধারন মানুষ যেভাবে সর্পোট করেছেন। সবাইকে অভিনন্দ জানাই।ফলতায় জলের সমস্যা রয়েছে,বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের সমস্যা রয়েছে,এছাড়া ফলতায় নদীবাঁধের সমস্যা রয়েছে।এছাড়াও বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে।ফলতায় গণতন্ত্র ছিলোনা।ফলতার মানুষ কথা বলতে ভয় পেত।সেটা ফিরে এসেছে।ফলতায় ভারতীয় জনতা পাটীর জয় হয়েছে।এখন ফলতা ফলতার মতোই চলবে।ফলতা কারোর কথায় চলবে না ।কারোর চোখ রাঙানিতে ভয় পাবে না।ফলতায় মা-বোনেদের উপর অত্যাচার হবেনা।আর যারা এধরেন কাজ করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে”।

ADVT




