
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- বকখালির খুব কাছেই ট্রলার ডুবির ঘটনায় এখন পর্যন্ত উদ্ধার হয়েছে ১৬ জন মৎস্যজীবী। খোঁজ মিলছিল না দুইজন মৎস্যজীবীর। পরে আজ ১জন মৎস্যজীবির দেহ উদ্ধার হয়েছে। ইতিমধ্যে নিখোঁজে জোর তল্লাশি শুরু করেছে প্রশাসন।
পুলিশ ও মৎস্যজীবি ইউনিয়ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার ২৩ জন মৎস্যজীবদের নিয়ে হরিপুর লালগঞ্জ সমুদ্র সৈকত থেকে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার জন্য তিনটি মাছধরা ট্রলার রওনা হয়। রাতের তাঁদের ট্রলার বকখালী থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরের একটি জায়গায়। জানা গেছে, ওই জায়গাটি অগভীর ছিল। সেখানে ভাঁটার সময় খুঁটি পুতে জাল দিয়ে মাছ ধরার কাজ করেন মৎস্যজীবী। তবে জোয়ার আসলে সেই বিষয় তেমনভাবে বোঝা যায় না । আর এই জায়গায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে ‘মঙ্গলচন্ডী’ নামের একটি মাছ ধরার ট্রলার।কিছুক্ষণের মধ্যে ডুবে যায় ট্রলারটি। ট্রলারে থাকা ১৮ জন মৎস্যজীবী সমুদ্রে পড়ে যান। এরপর অন্য একটি ট্রলারের মৎস্যজীবিরা ঢুবে যাওয়া ট্রলারের ১৬জন মৎস্যজীবিকে উদ্ধার করেন। তবে দুই জন মৎস্যজীবি কমল জানা এবং দেবনাথ করের খোঁজ পাওয়া যায়নি।দূর্ঘটনাগ্রস্ত ট্রলারটিকে টেনে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মৎস্যজীবি ইউনিয়ন সূত্রে জানা গিয়েছে।
এবিষয় ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনাইটেড ফিসারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সহ সম্পাদক বিজন মাইতি জানান, ‘ইতিমধ্যে নিখোঁজ দুই জন মৎস্যজীবির মধ্যে ১জন মৎস্যজীবির দেহ উদ্ধার হয়েছে।তাঁর কমল জানা(৩৭) বাকি আরও এজনের খোঁজ চলছে। তবে ট্রলারটি টেনে আনলে ওর মধ্যে চাঁপা পড়ে আছে কিনা সেটা বোঝা যাবে। নিখোঁজ মৎস্যজীবী ফেজারগঞ্জ উপকূলীয় থানা এলাকার দেব নিবাসের বাসিন্দা’। এই ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। প্রশাসনের তরফ থেকে ওই পরিবারকে সবধরনের সাহায্যের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯১৫৩০৪৩৩৮০
