‘বড় চোর জেলে যাবেই,চিন্তা করবেন না’,বারুইপুরের সভা থেকে হুঁশিয়ারি- শুভেন্দুর

রাজনীতি রাজ্য

বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- শুক্রবার বারুইপুরের জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ডায়মন্ড হারবার নিয়ে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়লেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর অভিযোগ। সিপিএমের সঙ্গে তৃণমূলের সেটিং তত্ব। নাম না করেই বড় চোর জেলে যাবে বলে  তিনি  জানান ।গতকাল চোরবাগানের মৃত্যু মিছিল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো থেকে শুরু করে বিজেপির বিধায়ক এবং নেতাদের নামে তোপ দেগে  ছিলেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর নাম না করে সরাসরি তুলোধোনা করেছিলেন আর এদিন বারুইপুরের সভা থেকে  মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা তোপ দেগে বলেন, “বড়চোর জেলে যাবেই, চিন্তা করবেন না। ধৈর্য রাখুন আপনাদের মনে প্রশ্ন আছে। বড় চোর কবে যাবে? বড়চোর যাবে। আমার রাজনীতিতে সহ্য ধৈর্য্য ধরি। বেবি আর আন্টি এখন একসঙ্গে চা খাচ্ছেন”। শুক্রবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরের নিউ ইন্ডিয়া মাঠে বিজেপির উদ্যোগে নিউল্যান্ড  ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’  জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এখানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ,এছাড়া মথুরাপুর ,ডায়মন্ড হারবার,যাদবপুর, জয়নগর সাংগঠনিক জেলার বিজেপি নেতৃত্বও কয়েক হাজার কর্মী সমর্থক।সভাকে ঘিরে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মধ্যে জমায়েত ছিল চোখে পড়ার মত।
এদিন বারুইপুরে সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে খোচা দিতে গিয়ে নাম না করে সভায় উপস্থিত বাকিদের উদ্দেশ্যে মুখ্যমন্ত্রী বার্তা ‘বেবি আর আন্টি এখন একসঙ্গে চা খাচ্ছেন, সাহস থাকলে আপনি লড়ুুন ।আবার হারাবো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে। ওরা কোলকাতায়  না  থেকে দিল্লি যাচ্ছেন। আপনি দিল্লি যান। পশ্চিমবঙ্গে আপনার আর কিছুই হবে না। সিপিএমের অত্যাচার থেকে বাংলাকে বাঁচানোর লক্ষ্যে এক সময় তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি হয়েছিল। সেটা জানতেন অটল জিও। সেই তৃণমূলই এখন সিপিএমের সঙ্গে দোস্তি করছে। বেবি আর আন্টি এখন একসঙ্গে চা খাচ্ছেন। আসলে বাংলায় কোথাও আপনার জায়গা নেই। আপনি ওই দিল্লিতে রামলীলা ময়দানেই যান’।
পাশাপাশি শুভেন্দু অধিকারী কটাক্ষের সুরে বলেন, ‘হেরেই পঞ্চাত্ব প্রাপ্তি হয়েছে। একটা দলের এঁচোড়ে পাকা ভাইপো, দক্ষিণ ২৪ পরগনা জুড়ে রাজনৈতিক আধিপত্য কায়েম এবং গণতান্ত্রিক কাঠামো দুর্বল করেছে। জেলার নানা এলাকায় বিরোধীদের স্বাভাবিক রাজনৈতিক কর্মকান্ডে বাধা দেওয়া হয়েছে। সংসদ কোথায়? আপনাদের মনে প্রশ্ন আছে, বড় চোর কবে যাবে? সময়টা একটু দেখি, সব ঠিকঠাক করে করতে হয়। বড় চোর যাবে, চিন্তার কোন কারণ নেই। গোটা জেলায় গণতান্ত্রিক কাঠামো ভেঙে দিয়েছ।২০১৪ সালের পর থেকে একটাও ভোট করতে দাওনি। ৭ লক্ষ ভোটে জিতেছেন উনি কিন্তু ৬মাস কোথায়”?  

এদিন বারুইপুরের ‘গণতন্ত্র বাঁচাও’  জনসভা থেকে তৃণমূল ও সিপিএমকে একসঙ্গে আক্রমণ করে দক্ষিণ চব্বিশ ঘটনার রাজনৈতিক লড়াইকে আরো তীব্র করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর তাঁর বক্তব্য থেকে আগামী দিনের দক্ষিণ ২৪পরগণা জেলার রাজনৈতিক তরজা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।  

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *