
প্রতীকী ছবি—
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠল স্বামীর বিরুদ্ধে। পরে নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করল স্বামী ।মৃত মহিলার নাম অনুরূপা হালদার( ৪০)। অভিযুক্ত হরপ্রসাদ হালদার তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে,দক্ষিণ ২৪ পরগনা পাথরপ্রতিমা থানা এলাকার দুর্গাপুরে ।ঘটনার খবর চাউর হতে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,অন্তত ২২-২৩ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল পরিযায়ী শ্রমিক হরপ্রসাদ হালদারের সঙ্গে। তাদের একটি সন্তান রয়েছে বয়স ২০। ।স্থানীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, স্বামী স্ত্রীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই অশান্তি চলছিল। হরপ্রসাদ বাবু কেরলে শ্রমিকের কাজ করতেন। বেশিরভাগ সময়ে বাইরে থাকতে হতো ,মাঝেমধ্যে তিনি বাড়ি ফিরতেন। অনুরূপা দেবী।তাঁর সন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়িতে থাকতেন ।জানা গেছে,,বেশ কয়েক মাস আগে হরপ্রসাদ বাবুর মায়ের মৃত্যুর পর তিনি নিজেই স্ত্রীকে শ্বশুর বাড়িতে নিয়ে আসেন।বেশ কিছুদিন ভালো ছিল তারপর আবারও শুরু হয় দাম্পত্য কলহ।
শুক্রবার রাতে ঘরের মধ্যেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে অনুরুপা হালদার কে কুপিয়ে খুন করে স্বামী বলে অভিযোগ। যদিও এত বড় ঘটনার পরও আশপাশের কোন প্রতিবেশী কেউ জানতেও পারেনি। কিংবা কোন চিৎকারের শব্দও শুনতে পাইনি। বহুক্ষণ পর ঘটনা জানতে পারে স্থানীয়রা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। অনুরূপা হালদারের দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান দীর্ঘদিনের পারিবারিক অশান্তির জেরে এই ঘটনা ঘটতে পারে তবে এর পিছনে অন্য কোন কারণ আছে কিনা তা জানতেই তদন্ত শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে সুন্দরবন জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বাপ্পাদিত্য ঘোষ সংবাদ মাধ্যমকে জানান, “দাম্পত্য কলহের জেরে পাথরপ্রতিমায় মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। ইতিমধ্যে অভিযুক্ত স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযুক্ত স্বামীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। দেহ ময়না তদন্তের জন্য কাকদ্বীপ পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পাথরপ্রতিমা থানার পুলিশ সম্পূর্ণ বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে”।

ADVT



ADVT


