
তোতন দাস,বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- নিম্নচাপের একটানা বৃষ্টি ! ঘুমের মধ্যে মাটির দেওয়াল চাপা পড়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু। ঘটনাটি ঘটেছে মন্দির বাজার থানা এলাকার আঁচনা গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মকার পাড়ায়। ঘটনার খবর জানার পরই পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে দেহগুলি উদ্ধার করে, ময়না তদন্তের জন্য ডায়মন্ড হারবার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ মর্গে পাঠায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,ডায়মন্ড হারবার মহাকুমার মন্দিরবাজার থানা এলাকার আঁচনা গ্রাম পঞ্চায়েতের কর্মকার পাড়ার একেবারে শেষের দিকে থাকতেন বৃহস্পতি কর্মকার আর দুই কন্যা সন্তান ও বছর উনিশের এক ছেলে । জানা গেছে, বৃহস্পতি কর্মকারের স্বামী বেশ কয়েক বছর হয় মারা গেছেন। ফলে সংসারের হাল ধরতে তিনি লোকের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করতেন।আর তাঁর এক ছেলে স্থানীয় একটি দোকানে বর্তমানে কর্মরত ।গতকাল গভীর রাতে বৃহস্পতি কর্মকার(৪৬) তাঁর দুই কন্যা শিলা কর্মকার( ১৫)ও প্রিয়া কর্মকার বয়স (১০) কে নিয়ে যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, গভীর রাতে সে সময় আচমকাই মাটির দেয়াল সহ ঘরটি চাপা পড়ে তাঁদের মৃত্যু হয় বলে দাবি করছেন পরিবারের আত্মীয়দের। যদিও রাতে ঘর ভেঙ্গে পড়ার কোন আওয়াজ পাইনি বলেও দাবি স্থানীয়দের। সকালের দিকে স্থানীয়রাই দেখতে পায় ঘরটি ভেঙে পড়েছে। পরে তারাই পুলিশকে খবর দেয় পাশাপাশি ঘটনাস্থলে আসেন মন্দির বাজারের বিধায়ক জয়দেব হালদার। ,তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, খুব মর্মান্তিক দুঃখজনক ঘটনা।দেওয়াল চাপা পড়ে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তাঁরা হলেন বৃহস্পতি কর্মকার ও তাঁর দুই কন্যা সন্তান। বেশ কয়েক বছর আগেই তাঁর স্বামী মারা গেছে।বছর উনিশের এক পুত্র সন্তান আছে। স্থানীয় একটি দোকানে কাজ করেন। বৃহস্পতি কর্মকার পরিচারিকার কাজ করে সংসার চালাতেন। বেশ কিছুদিন হয় এই কর্মকার পরিবারকে সরকারি ঘর দেওয়া হয়েছিল। তার লিনটনের কাজ বর্তমানে চলছে”। যদিও এদিন তিনি ওই পরিবারের পাশে থাকা এবং সব রকম ভাবে তার সাহায্য সহযোগিতার বার্তাও দেন। তবে স্থানীয় মানুষজন এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলের অভিযোগ করেছেন, ওই পরিবারটি খুব হত দরিদ্র,সরকারি ঘর যদি একটু আগে পেত তাহলে এই ঘটনা ঘটত না।এই মর্মান্তিক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

ADVT

খবর এবং বিজ্ঞাপনের জন্য যোগাযোগ করুন:- ৯১৫৩০৪৩৩৮০
