
বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- রেজিস্ট্রি অফিসের ভিতরে ধারালো ঢুকে পড়ল যুবক।কিছু বোঝার আগেই অর্তকিতে স্ত্রী, শাশুড়ি ও আধিকারিককে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলো পাথারি কোপানোর অভিযোগ । রক্তাক্ত অবস্থায় তিনজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায় স্থানীয়রা। ঘটনায় হারু লাল ঘোষ নামে এক যুবককে আটক করেছে বিষ্ণুপুর থানার পুলিশ।,শুক্রবার রাত সাড়ে আটটা নাগাদ দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুর থানা আমতলা মোহিত কমপ্লেক্সের সুপার মার্কেটে এই ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার জেরে ব্যাপক চাঞ্চলের ছড়িয়েছে এলাকায়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় আমতলার মুোহিত কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রি অফিসের কাজ চলছিল। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্টার অফিসার উদয় শঙ্কর অধিকারী। তিনি তাঁর মেয়ে এবং এক মহিলার সঙ্গে অফিসের কাজে ব্যস্ত ছিলেন। হঠাৎ অফিসে ঢুকে পড়ে হারু লাল ঘোষ। স্থানীয়রা দাবি করেছেন তাঁর হাতে ধারালো অস্ত্র ছিল। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনজনের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনার রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন লিপিকা প্রধান সম্পর্কে তিনি হারু লালের শাশুড়ি ,বৈশাখী ঘোষ হারু লালের স্ত্রী এবং উদয় শঙ্কর অধিকারী রেজিস্টার অফিসার। আহতদের আত্মচিৎকারে পথ চলতি মানুষজন ছুটে আসেন। ঘটনার পর পালাতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ে অভিযুক্ত ।এরপরই বিষ্ণুপুর থানাকে খবর দেওয়া হলে। দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ। অভিযুক্তকে হারু লালকে আটক করে পুলিশ।হামলার সময় ব্যবহৃত অস্তটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।আহতদের উদ্ধার করে আমতলা গ্রামীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।পরে কোলকাতায় স্থানান্তরিত করা হয়।
হামলার সময় ব্যবহৃত অস্ত্রটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।নিছচক পারিবারিক বিবাদ না এর পিছনে অন্য কোন কারন আছে কিনা সে বিষয় জানার চেষ্টা করছেন অভিজ্ঞ তদন্তকারীরা।এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ADVT



ADVT


