ফলতার পর দক্ষিণ২৪পরগণার এডিএমকে ভোটের আগের রাতেই সরিয়ে দিল -কমিশন

রাজ্য

বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের  আগের দিনেই প্রশাসনিক রদবদলের বড়সড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন। প্রথমে ডায়মন্ড হারবার মহকুমার এর ফলতার জয়েন্ট  বিডিওকে সরিয়ে দেওয়ার পর এবার দুই জেলার উচ্চপদস্থ আধিকারিককে সরিয়ে দেওয়া হল।

 দক্ষিণ ২৪ পরগনার অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ভাস্কর পালকে তাঁর দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বীরভূমের ক্ষেত্রেও। প্রথম দফার ভোট শেষ হওয়ার পরই সেখান থেকে এ ডি এম সৌভিক ভট্টাচার্যকে নির্বাচনের সমস্ত কাজ থেকে সরিয়ে দেওয়া দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তবে অভিজ্ঞ মহল মনে করছে অবাধ ও নিরপেক্ষ,সুষ্ঠ,শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই রদবদল।
রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা এবং ভোটারদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতেই বড় পদক্ষেপ।
  মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীক  জানান, প্রতিটি বুথে ওয়েব কাস্টিং ও কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে কড়া নজরদারি চলছে। অভিযোগ পেলেই তৎক্ষণাৎ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তিনি ভোটারদের আশ্বস্ত করে বলেন, “নির্ভয়ে নিজের ভোট নিজে দিন। কেউ আপনার ক্ষতি করতে পারবে না। আমি নিজেও প্রয়োজনে বিভিন্ন  এলাকা ঘুরে দেখব”।
পাশাপাশি তিনি সতর্কতা-বার্তা দিয়েও জানান, কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে পুলিশকে শক্তিশালী করা হয়েছে এর পরও যদি কোথাও কোন অপ্রিতিকর ঘটনা ঘটে তবে সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিককেই তার দায়ভার নিতে হবে। এবং তাদের কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে ।স্ট্রং রুমের ক্যামেরা নিয়েও ওঠা অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে কোন যান্ত্রিক সমস্যা বা লোডশেডিং এর বিষয় থাকলে রাজনৈতিক দলগুলি সরাসরি অভিযোগ জানাতে  পারে। সেই সাথে তিনি আরো জানান, ভবানীপুর সহ সব বুথে ১০০ মিটারের মধ্যে পরিচয় পত্র ছাড়া প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।যে কোন গন্ডগোলের ক্ষেত্রে অবজারভারদের রিপোর্টের ভিত্তিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে সেই সব বুথে পুনরায় ভোট গ্রহন করা হবে।  

ADVT

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *