
তোতন দাশ, বাংলার চাণক্য নিউজ ডেস্ক:- আজ ২০ শে জুন রাজ্য জুড়ে পালিত হলো পশ্চিমবঙ্গ দিবস। ১৯৪৭ সালের ২০ শে জুন বাংলার বিধানসভার অধিবেশনে ঐতিহাসিক ভোটাভুটির মাধ্যমে বাংলা ভাগের প্রস্তাব গৃহীত হয়। এবং ভারতভূক্তির অন্তর্গত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জন্ম হয়। এই বিশেষ দিনটিকে কেন্দ্র করে রাজ্য জুড়ে পালিত হলো নানা কর্মসূচি। এই বিশেষ দিন উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর বাংলা সফর ও হুগলির তারকেশ্বরের পশ্চিমবঙ্গ দিবস উদযাপনের বিশেষ কর্মসূচি পালিত হয়। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের সঙ্গে এদিন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নির্দেশানুসারে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার মহকুমার ফলতা সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এবং ফলতা পশ্চিম চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শকের যৌথ উদ্যোগে ফলতা অবৈতনিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মহাসমারহে পালিত হল পশ্চিমবঙ্গ দিবস ।এই অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়, প্রভাত ফেরির বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মধ্যে দিয়ে। উপস্থিত ছিলেন ফলতা পশ্চিম চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক ইকবাল হাসান সহ অন্যান্য গুণীজনেরা।পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা পোস্টার ও স্লোগান সহ ব্যান্ড সহযোগে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহন করেন। পরে শুরু হয় মূল অনুষ্ঠান। নাচ, গান ,আবৃত্তি ও বক্তৃতার মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ঐতিহ্য গুরুত্ব তাৎপর্য এবং ইতিহাস এবং পশ্চিমবঙ্গ স্রষ্ঠা ভারত কেশরী ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান ইত্যাদি বিবিধ বিষয় আলোচনা হয়। অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছাত্র-ছাত্রী এবং অভিভাবক ও অভিভাবীকাদের জন্য দুপুরের মধ্যাহ্নভোজের আযোজন করা হয় ।

অন্যদিকে বিকেলে ডায়মন্ড হারবার মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে ডায়মন্ড হারবার প্রশাসন ভবনের কনফারেন্স হলে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালনের বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ড হারবারের মহকুমা শাসক অয়ন দত্ত গুপ্ত। ডায়মন্ড হারবারের বিধায়ক পান্নালাল হালদার, প্রাক্তন বিধায়ক ও সমাজসেবী দীপক কুমার হালদার,ফলতার বিধায়ক দেবাংশু পান্ডা, ডায়মন্ড হারবার মহকুমা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক ব্রতী বিশ্বাস (দত্ত)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মহকুমার উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা। এদিনের অনুষ্ঠানের সূচনা লগ্নে ভারত কেশরী ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের প্রতিকৃতিতে মাল্য দানের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠান পর্ব। পরে ডায়মন্ড হারবারের মহকুমা শাসক অয়ন দত্ত গুপ্ত তাঁর স্বাগত ভাষণে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের ঐতিহ্য, গুরুত্ব, তাৎপর্য , ইতিহাস এবং পশ্চিমবঙ্গ স্রষ্ঠা ভারত কেশরী ডক্টর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের অবদান ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ব্যাখ্যা করেন। পরে স্বল্প দৈর্ঘের তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।মহকুমা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিক ব্রতী বিশ্বাস (দত্ত) ও সহকর্মী অমিতাভ ঘোষে’র যুগল ‘গীতি আলেখ্য’ সঙ্গে গান ও নৃত্যের মাধ্যমে শব্দের ঝংকার সুরের মূর্ছনায় শ্রোতাদের কল্পনায় চিত্র ফুটিয়ে তুলে এই দিনটিকে উদ্যাপন করা হয়।অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে জাতীয় সংঙ্গীতের মাধ্যমে এদিনের কর্মসূচীর পরিসমাপ্তি হয়।






